Blog Archive

Thursday, May 14, 2015

নবী-রাসুলগনের পবিত্র মাযার (রওজা) সমুহ [Mazars of Prophets .AS]






য়্যুব (আ) এরবিত্র মাযার।র আইযরত ইমরান (আ)। যার নামে আল-কোরআনে সুরা আল-ইমরান সুরা নাজিল হয়েছে।




এটি হযরত মুসা আলাইহিস্ সালামের পবিত্র মাজার শরীফ। জেরুজালেমে অবস্থিত । 





হযরত আইয়ুব (আ) এর মাযার।






Tomb of Hazrat Imran (AS)






Tomb of Hazrat Imran (AS)


















Tomb of Prophet Hud (AS)







tomb-of-the-old-testament-prophet-Daniel (As)-samarkand-uzbekistan





The tomb of Shuayb (AS)





The Mazar of Hazrat Salih (peace be upon him)






Tomb of Idris (AS)





The story of Hazrat Nooh (Noah) and the flood is found in a number of different passages in the Quran. Muslim scholars say that the Ark came to rest on Mount Judi and that Noah was buried nearby. Some claim that Hazrat Nooh founded a city called al-Thamanin ( i.e. "the Eighty) because there were 80 people on the Ark. Many scholars say that the first city founded by Hazrat Nooh, and where he was buried, was called "Karak."





Mazar Mubarak of Hazrat Yahya (John) in Lebanon. Some other scholars say that the Mazar of Hazrat Nooh can be in Jordan OR Lebanon OR Iraq. Allah knows the best.




 Tomb of Eber, Son of Hud (AS)






Tomb of Sish in Baqa’a Valley





Mosque containing the tomb of the prophet Aila (AS) on the western slopes of the Lebanon mountains overlooking the Baqa'a Valley in Lebanon.










Tomb Of Prophet Haroon (AS)




























কোন নেককার মুমিন বা ওলীর পাশে দাফন করলে কোন উপকার আছে কি?


আহলে হাদিস নাসিরুদ্দিন আলবানী তার
আহাদিসুস দ্বঈফাহ গ্রন্থের ১/৫০১ পৃঃ,
হাদিস নংঃ৬১৩ এ বলেছে যে,

মৃত ব্যক্তিকে কোন নেককার ওলী, হক্কানী আলেমের পাশে কবরস্থ করলে কোন উপকার নেই।
অনুরুপভাবে জুনায়েদ বাবুনগরী তার প্রচলিত জাল হাদিস বইয়ের ১৯৬ পৃষ্ঠায় এর সমালোচনা করেন।




                                    জবাবঃ


হাদিস নং:১

"হযরত আবু হুরায়রা(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, রাসুল (সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেন,তোমরা মৃত ব্যক্তিদেরকে (যথাসম্ভব) নেক বান্দাদের মাঝে দাফন করবে, নিশ্চয় মৃত ব্যক্তিগণ খারাপ প্রতিবেশী দ্বারা কষ্ট অনুভব করে।যেরুপ জীবিতগণ খারাপ প্রতিবেশী দ্বারা কষ্ট পেয়ে থাকে।ইমাম সৈয়ুতি হাদিসটি বর্ণনা করে বলেন- হাদিসটি সনদে দুর্বল।( শরহুস সুদুরঃ১৩পৃঃ)

Reference :

★ দায়লামীঃ ফিরদাউসঃ ১/১০২পৃঃ,হাদিসঃ৩৩৭;দারুল কুতুব,ইলমিয়্যাহ, বৈরুত, লেবানন
★ ইমাম সৈয়ুতিঃ শরহুস সুদুর-১৩পৃঃ, আদ্দুরুল মুনতাসিরাহঃ১/৬৬পৃঃ,জামেউল হাদিসঃ২/১০৫পৃ: হাদিসঃ৯৯২,
★ আবু নঈম ইস্পাহানীঃ হুলিয়াতুল আউলিয়াঃ৬/৩৫৪পৃঃ,দারুল কুতুব আরাবি,বৈরুত
★ ইমাম নাবহানীঃ ফতহুল কবীরঃ১/৫৯পৃঃ,হাদিসঃ৫০৮
★ ইমাম সাখাভীঃ মাকাসিদুল হাসানাঃ৫১পৃঃহাদিসঃ ৪৭
★ ইমাম আযলূনীঃ কাশফুল খাফাঃ১/৬৪পৃঃ,হাদিসঃ১৬৯
★ ইমাম সৈয়ুতিঃ জামেউস সগীরঃ১/৩০পৃঃ,হাদিসঃ৩১৮
★ ইমাম আসকালানীঃ লিসানুল মিযানঃ৩/৯৯পৃঃ
★ মুত্তাকী হিন্দীঃ কানযুল উম্মালঃ১৫/৫৯৯পৃঃ, হাদিসঃ৪২৩৭১
★ ইবনে আসাকীরঃ তারিখে দামেস্কঃ৫৮/৩৭৭-৩৭৮পৃঃহাদিসঃ৭৪৭৩
★ হিব্বানঃ মাজরুহীনঃ১/২৯১পৃঃহাদিসঃ৩২৫
★ আলবানী দ্বঈফুল জামেঃহাদিসঃ ২৬৩

~ ইমাম সৈয়ুতি তার জামেউস সগীর গ্রন্থের ভূমিকায় বলেছেন, আমি এই গ্রন্থকে জাল হাদিস থেকে হিফাজত করেছি।(জামেউস সগীরঃ১/৫পৃঃ)

তাই হাদিসটি কোন মতেই জাল হতে পরে না।
অপরদিকে আল্লামা আযলুনী বলেন যে,ইমাম মানাবী উক্ত হাদিস প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেন-
" নিশ্চয় উক্ত ঘটনাটি বিভিন্ন হাদিস দ্বারা প্রমাণিত হয় , এটার ভিত্তি আছে( কাশফুল খাফাঃ১/৬৪)

হাদিস নং:২

হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্নিত তিনি নবী করীম (সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হতে বর্ননা করেন,রাসুল (সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এরশাদ করেন, যখন তোমাদের কেউ মৃত্যুবরণ করে,তাকে সুন্দর কাফন পরিধান করাও এবং তার অসিয়ত দ্রুততার সাথে পুর্ণ কর।তার কবর গভীরভাবে খনন কর এবং তাকে খারাপ প্রতিবেশী থেকে দূরে রাখ।বলা হল,হে আল্লাহর রাসুল (সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! নেক প্রতিবেশী পরকালে কি উপকারে আসবে? ইরশাদ করেন, দুনিয়ায় কি নেক প্রতিবেশী উপকার করতে পারে? তারা বললেন, হ্যাঁ পারে।রাসুল (সল্লল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ঐ রকমই নেক প্রতিবেশী পরকালেও উপকার করবে।

 Reference :

★ ইমাম সৈয়ুতিঃশরহুস সুদুরঃ১৩৪পৃঃ
★ আযলুনীঃকাশফুল খাফাঃ১/৬৪পৃঃ,হাদিসঃ১৬৯
★ ইমাম সাখাভীঃমাকাসিদুল হাসানাঃ৫১পৃঃ,হাদিসঃ৪৭

হাদিস নং:৩

"হযরত আবদুল্লাহ ইবনে না'ফে আল মুজনী(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্ণিত,তিনি বলেন, মদীনাতে এক ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করল সেখানে তাকে দাফন করা হয়।অতঃপর কোন এক ব্যক্তি তাকে স্বপ্নে দেখল।সে জান্নামের আযাবে রয়েছে।এতে সে চিন্তায় ডুবে গেল।অতঃপর সাত বা আট দিনপর তাকে আবার দেখানো হল, সে জান্নাতের নেয়ামতের মধ্যে আছে।তখন সে তাকে(স্বপ্নে এ বিষয়) জিজ্ঞাসা করলে সে জবাবে জানায়, আমাদের নিকট একজন নেক বান্দাকে দাফন করা হয়েছে।সে তার চল্লিশজন পড়শীর ব্যাপারে সুপারিশ করেছেন।আমি তাদের ঐ চল্লিশজনের মধ্যে একজন ছিলাম।( আল্লাহ তার সুপারিশ কবুল করে আমাদের জান্নাত দান করেছেন)

Reference :

★ ইমাম সৈয়ুতিঃশরহুস সুদুরঃ১৩৫পৃঃ
★ ইমাম সৈয়ুতিঃআনবীয়ুল আযকিয়া ফী হায়াতিল আম্বিয়া
★ ইমাম আবিদ দুনিয়াঃ আল কুবুরঃ১/১২৮ পৃঃ,হাদিসঃ১৩৯

আল্লামা আযলুনী ও ইমাম সৈয়ুতি হযরত আলী সহ একাধিক সনদে তাদের গ্রন্থে আরও অনেক হাদিস উল্লেখ করেছেন।

হাদিসের মান নির্নয় : "জুম'আ হল নিঃস্বদের জন্য হজ্জ্ব স্বরুপ।"


জুমার সম্পর্কিত

জুনায়েদ বাবুনগরী স্বীয় "প্রচলিত জাল হাদিস" বইয়ের ১১২ পৃষ্ঠায় এই হাদিসকে জাল প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়ে লিখেছেন- " জামেউস সগীর কিতাবে উক্ত হাদিসটি আল্লামা মানাবী(রহঃ) উল্লেখ করেছেন"।

জবাবঃ যে কিতাবের সম্মানিত লিখকের নামই জানে না, সে আবার কিসর সহীহ, দ্বঈফ নির্ণয় করবে।মূলত জামেউস সগীর গ্রন্থের লেখক হলেন ইমাম সৈয়ুতী(রহঃ)।


                    ★★★ হাদিসটি হলঃ ★★★


"হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস ( রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হতে বর্নিত, হুজুর(সলল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ফরমান, জুম'আ হল নিঃস্বদের জন্য হজ্জ্ব স্বরুপ।"

Reference :

★ইমাম সৈয়ুতিঃআল- জামেউস সগীরঃ১/২৭২পৃঃ,হাদিসঃ৩৬৩৫

★ইমাম সাখাভীঃ মাকাসিদুল হাসানাঃ২০৭পৃঃ,হাদিসঃ৩৭০

★আল্লামা আযলূনীঃকাশফুল খাফাঃ১/২৯৮পৃঃ,হাদিসঃ১০৭৪

★ইমাম মানাবীঃফয়জুল কাদীরঃ৩/৩৫৯পৃঃ,হাদিসঃ৩৬৩৫

★আলবানীঃ সিলসিলাতুল দ্বঈফাহঃ১/৩৪৪পৃঃ,হাদিসঃ১৯১,তিনি বলেন হাদিসটি দ্বঈফ।

★★★ সনদ পর্যালোচনাঃ ★★★

(১) উক্ত হাদিসটির একটি সনদ পাওয়া গেল, তবে উক্ত হাদিসের মধ্যে একজন রাবী 'মুকাতিল' সাধারণ দুর্বল থাকার কারণে সনদের ক্ষেত্রে হাদিসটি দ্বঈফ পর্যায়ের।

★ইমাম যাহাবীঃমিযা'নুল ই'তিলাদঃ৩/২৯৮পৃঃ,রাবী নং-৬৯৯৩,দারুল ফিকর ইলমিয়্যাহ, বৈরুত।

★ইমাম ইবনে হাজর আসকালানীঃলিসানুল মিযানঃ৪/৪৫৪পৃঃ।

(২) তবে অপর সনদ যা ইমাম কাযাঈ(রহঃ) এবং ইমাম ইবনে আসাকীর(রহঃ) হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস ( রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) এর সুত্রে "মাসাকিন" এর স্থলে " ফুকারা" বর্ণনা করেন।

★ইমাম সৈয়ুতিঃজামেউস সগীরঃ১/২৭৩পৃঃ,হাদিসঃ৩৬৩৬

★ইমাম মানাবীঃফয়জুল কাদীরঃ৩/৩৫৯পৃঃ,হাদিসঃ৩৬৩৬
তবে উক্ত হাদিসেও একজন রাবী দুর্বল।

(৩) অপরদিকে উক্ত হাদিসের সমর্থনে ইমাম দায়লামী(রহঃ) হযরত ইবনে উমর(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) হতে আরেকটি দ্বঈফ সনদ বর্ণনা করেছেন।

★ইমাম কদ্বায়ীঃ মুসনাদে শিহাবঃ১/৮১পৃঃ,হাদিসঃ৭৯

(৪) শুধু তাই নয় ইমাম ইবনে মাজাহ(রহঃ) দ্বঈফ সনদে উক্ত শব্দে হযরত আবু হুরায়রা(রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) এর সুত্রে বর্ণনা করেন।

★ইমাম আযলূনীঃকাশফুল খাফাঃ১/২৯৮পৃঃ,হাদিসঃ১০৭৪

(৫) এই হাদিসটি আরেকটি শক্তিশালী সনদ পাওয়া যায় হযরত যাহহাক বিন মুযাহিম ( রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর) সুত্রে।

★ইমাম ফিকহীঃ আখবারে মক্কীয়াঃ১/৩৭৭পৃঃ,হাদিসঃ৭৯৫

তাই আমরা বলতে পারি এই হাদিসের ৪টিরও বেশী সনদে বর্ণিত।তাই হাদিসটি "হাসান" পর্যায়ের এবং মুল বিষয়বস্তু সহীহ।

Tuesday, May 12, 2015

৩১৩ বদরী সাহাবীর নাম :-



মুহাজির সাহাবীঃ রাদিয়াল্লাহু আনহুওম


ওয়ারাদু আনহু।


------------

১. হযরত আবু বকর (রাঃ)
২. হযরত উমর ফারুক (রাঃ)
৩. হযরত উসমান (রাঃ)
৪. হযরত আলী মোর্তাজা (রাঃ)
৫. হযরত হামজা (রাঃ)
৬. হযরত যায়েদ বিন হারেছা (রাঃ)
৭. হযরত আবু কাবশাহ সুলাইম (রাঃ)
৮. হযরত আবু মারছাদ গানাভী (রাঃ)
৯. হযরত মারছাদ বিন আবু মারছাদ (রাঃ)
১০. হযরত উবাইদা বিন হারেছ (রাঃ)
১১. হযরত তোফায়েল বিন হারেছ (রাঃ)
১২. হযরত হুসাইন বিন হারেছ (রাঃ)
১৩. হযরত আউফ বিন উসাসা (রাঃ)
১৪. হযরত আবু হুযায়ফা (রাঃ)
১৫. হযরত ছালেম (রাঃ)
১৬. হযরত সুহইব বিন সিনান (রাঃ)
১৭. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জাহাশ (রাঃ)
১৮. হযরত উক্বাশা বিন মিহসান (রাঃ)
১৯. হযরত শুজা’ বিন ওহাব (রাঃ)
২০. হযরত ওতবা বিন রবীআহ (রাঃ)
২১. হযরত ইয়াযীদ বিন রুকাইশ (রাঃ)
২২. হযরত আবু সিনান (রাঃ)
২৩. হযরত সিনান বিন আবু সিনান (রাঃ)
২৪. হযরত মুহরিয বিন নাজলা (রাঃ)
২৫. হযরত রবীআ’ বিন আক্সাম (রাঃ)
২৬. হযরত হাতেব বিন আমর (রাঃ)
২৭. হযরত মালেক বিন আমর (রাঃ)
২৮. হযরত মিদ্লাজ বিন আমর (রাঃ)
২৯. হযরত সুওয়ায়েদ ইবনে মাখশী (রাঃ)
৩০. হযরত উৎবা বিন গাযওয়ান (রাঃ)
৩১. হযরত জুবাইর বিন আউওয়াম (রাঃ)
৩২. হযরত হাতেব বিন আবি বালতাআহ (রাঃ)
৩৩. হযরত সা’দ বিন খাওলা (রাঃ)
৩৪. হযরত মুসআব বিন উমায়ের (রাঃ)
৩৫. হযরত মাসউদ বিন সা’দ (রাঃ)
৩৬. হযরত আঃ রহমান বিন আউফ (রাঃ)
৩৭. হযরত সা’দ বিন আবু উবায়দা (রাঃ)
৩৮. হযরত উমায়ের বিন আবিওয়াক্কাস (রাঃ)
৩৯. হযরত মিক্বদাদ বিন আমর (রাঃ)
৪০. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাসউদ (রাঃ)
৪১. হযরত মাসউদ বিন রাবীআ (রাঃ)
৪২. হযরত যুশ্ শিমালাইন (রাঃ)
৪৩. হযরত খাব্বাব বিন আরাত (রাঃ)
৪৪. হযরত বিলাল বিন রবাহ্ (রাঃ)
৪৫. হযরত আমের বিন ফুহায়রা (রাঃ)
৪৬. হযরত ছুহাইব বিন সিনান (রাঃ)
৪৭. হযরত তালহা বিন উবাইদুল্লাহ্ (রাঃ)
৪৮. হযরত আবু সালমা বিন আব্দুল আসাদ (রাঃ)
৪৯. হযরত শাম্মাস বিন উসমান (রাঃ)
৫০. হযরত আকরাম বিন আবুল আকরাম (রাঃ)
৫১. হযরত আম্মার বিন ইয়াছির (রাঃ)
৫২. হযরত মুআত্তিব বিন আউফ (রাঃ)
৫৩. হযরত যায়েদ ইবনে খাত্তাব (রাঃ)
৫৪. হযরত আমর বিন সুরাকা (রাঃ)
৫৫. হযরত ওয়াকেদ বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ)
৫৬. হযরত খাওলা বিন আবু খাওলা (রাঃ)
৫৭. হযরত আমের বিন রবীআহ (রাঃ)
৫৮. হযরত আমের বিন হারিছ (রাঃ)
৫৯. হযরত আমের বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ)
৬০. হযরত খালেদ বিন বুকাইর (রাঃ)
৬১. হযরত ইয়ায বিন গানাম (রাঃ)
৬২. হযরত সাঈদ বিন যায়েদ (রাঃ)
৬৩. হযরত উসমান বিন মাজউন (রাঃ)
৬৪. হযরত সাইব বিন উসমান (রাঃ)
৬৫. হযরত কুদামা বিন মাজউন (রাঃ)
৬৬. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাজউন (রাঃ)
৬৭. হযরত মা’মার বিন হারেছ (রাঃ)
৬৮. হযরত আবু উবায়দা ইবনুল জাররাহ (রাঃ)
৬৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন মাখ্রামা (রাঃ)
৭০. হযরত খাব্বাব মাওলা উৎবা বিন গযওয়ান (রাঃ)
৭১. হযরত আবুস্ সাইব উসমান বিন মাজউন (রাঃ)
৭২. হযরত আমর বিন আবু সারাহ (রাঃ)
৭৩. হযরত সাকাফ বিন আমর (রাঃ)
৭৪. হযরত মুজায্যার বিন যিয়াদ (রাঃ)
৭৫. হযরত খাব্বাব ইবনুল মুনযির (রাঃ)
৭৬. হযরত উমায়ের বিন আবী ওয়াক্কাছ (রাঃ)
৭৭. হযরত মিকদাদ বিন আমর (রাঃ)
৭৮. হযরত নোমান বিন আসার বিন হারেস (রাঃ)
৭৯. হযরত মিহ্জা’ মাওলা উমর ফারুক (রাঃ)
৮০. হযরত ওহাব বিন আবী সারাহ (রাঃ)
আনসার সাহাবীঃ
--------------
৮১. হযরত সা’দ বিন মুআজ (রাঃ)
৮২. হযরত আমর বিন মুআজ (রাঃ)
৮৩. হযরত হারেস বিন আউস (রাঃ)
৮৪. হযরত হারেস বিন আনাস (রাঃ)
৮৫. হযরত আব্বাদ বিন বিশর (রাঃ)
৮৬. হযরত সালামা বিন সাবেত (রাঃ)
৮৭. হযরত হারেস বিন খাযামা (রাঃ)
৮৮. হযরত মুহাম্মদ বিন মাসলামা (রাঃ)
৮৯. হযরত সালামা বিন আসলাম (রাঃ)
৯০. হযরত উবায়েদ বিন তাইয়িহান (রাঃ)
৯১. হযরত কাতাদা বিন নোমান (রাঃ)
৯২. হযরত উবায়েদ বিন আউস (রাঃ)
৯৩. হযরত নসর বিন হারেস (রাঃ)
৯৪. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন তারেক (রাঃ)
৯৫. হযরত আবু আব্স বিন জব্র (রাঃ)
৯৬. হযরত আবু বুরদাহ্ হানী বিন নিয়্যার (রাঃ)
৯৭. হযরত আসেম বিন সাবেত (রাঃ)
৯৮. হযরত মুআত্তিব বিন কুশাইর (রাঃ)
৯৯. হযরত আমর বিন মা’বাদ (রাঃ)
১০০. হযরত সাহল বিন হুনাইফ (রাঃ)
১০১. হযরত মুবাশ্শির বিন আব্দুল মুনযির (রাঃ)
১০২. হযরত রিফাআ বিন আঃ মুনযির (রাঃ)
১০৩. হযরত খুনাইস বিন হুযাফা (রাঃ)
১০৪. হযরত আবু সাবরা কুরাইশী (রাঃ)
১০৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সালামা (রাঃ)
১০৬. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সুহাইল (রাঃ)
১০৭. হযরত সা’দ বিন মুআয (রাঃ)
১০৮. হযরত উমায়ের বিন আউফ (রাঃ)
১০৯. হযরত আমের বিন সালামা (রাঃ)
১১০. হযরত ছফওয়ান বিন ওহাব (রাঃ)
১১১. হযরত ইয়ায বিন বুকাইর (রাঃ)
১১২. হযরত সা’দ বিন উবায়েদ (রাঃ)
১১৩. হযরত উওয়াইম বিন সায়েদাহ (রাঃ)
১১৪. হযরত রাফে বিন আনজাদা (রাঃ)
১১৫. হযরত উবায়েদ বিন আবু উবয়েদ (রাঃ)
১১৬. হযরত সা’লাবা বিন হাতেব (রাঃ)
১১৭. হযরত আবু লুবাবাহ আব্দুল মুনযির (রাঃ)
১১৮. হযরত হারেস বিন হাতেব (রাঃ)
১১৯. হযরত আসেম বিন আদী (রাঃ)
১২০. হযরত আনাছ বিন কাতাদা (রাঃ)


১২১. হযরত মাআন বিন আদী (রাঃ)
১২২. হযরত সাবেত বিন আকরাম (রাঃ)
১২৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন ছাহল (রাঃ)
১২৪. হযরত যায়েদ বিন আসলাম (রাঃ)
১২৫. হযরত রিব্য়ী বিন রাফে’ (রাঃ)
১২৬. হযরত সা’দ বিন যায়েদ (রাঃ)
১২৭. হযরত সালমা বিন সালামা (রাঃ)
১২৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন যায়েদ (রাঃ)
১২৯. হযরত আসেম বিন কায়েস (রাঃ)
১৩০. হযরত আবুস্ সয়্যাহ বিন নোমান (রাঃ)
১৩১. হযরত আবু হাব্বাহ বিন আমর (রাঃ)
১৩২. হযরত হারেস বিন নোমান (রাঃ)
১৩৩. হযরত খাওয়াত বিন যুবাইর (রাঃ)
১৩৪. হযরত মুনযির বিন মুহাম্মদ (রাঃ)
১৩৫. হযরত আবু আকীল আব্দুর রহমান (রাঃ)
১৩৬. হযরত আবু দুজানা (রাঃ)
১৩৭. হযরত সা’দ বিন খায়সামা (রাঃ)
১৩৮. হযরত মুনযির বিন কুদামা (রাঃ)
১৩৯. হযরত মালেক বিন কুদামা (রাঃ)
১৪০. হযরত হারেস বিন আরফাজা (রাঃ)
১৪১. হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ)
১৪২. হযরত মালেক বিন নুমায়লা (রাঃ)
১৪৩. হযরত খারেজা বিন যায়েদ (রাঃ)
১৪৪. হযরত সা’দ বিন রবী’ (রাঃ)
১৪৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন রাওয়াহা (রাঃ)
১৪৬. হযরত বশির বিন সা’দ (রাঃ)
১৪৭. হযরত সিমাক বিন সা’দ (রাঃ)
১৪৮. হযরত সুবাঈ বিন কায়েস (রাঃ)
১৪৯. হযরত আব্বাদ বিন কায়েস (রাঃ)
১৫০. হযরত ইয়াযিদ বিন হারেস (রাঃ)
১৫১. হযরত খোবায়ের বিন য়াসাফ (রাঃ)
১৫২. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কায়েস (রাঃ)
১৫৩. হযরত হারিস বিন যিয়াদ (রাঃ)
১৫৪. হযরত তামীম বিন য়াআর (রাঃ)
১৫৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উমায়ের (রাঃ)
১৫৬. হযরত যায়েদ বিন মুযাইন (রাঃ)
১৫৭. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উরফুতাহ্ (রাঃ)
১৫৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন রবী’ (রাঃ)
১৫৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ)
১৬০. হযরত আউস বিন খাওলা (রাঃ)
১৬১. হযরত যায়েদ বিন উবায়েদ (রাঃ)
১৬২. হযরত উকবাহ বিন ওহাব (রাঃ)
১৬৩. হযরত রিফাআহ বিন আমর (রাঃ)
১৬৪. হযরত উসায়ের বিন আসর (রাঃ)
১৬৫. হযরত মা’বাদ বিন আব্বাদ (রাঃ)
১৬৬. হযরত আমের বিন বুকাইর (রাঃ)
১৬৭. হযরত নওফল বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ)
১৬৮. হযরত উবাদা বিন সামেত (রাঃ)
১৬৯. হযরত নোমান বিন মালেক (রাঃ)
১৭০. হযরত সাবেত বিন হায্যাল (রাঃ)
১৭১. হযরত মালেক বিন দুখশুম (রাঃ)
১৭২. হযরত রবী’ বিন ইয়াছ (রাঃ)
১৭৩. হযরত ওয়ারাকা বিন ইয়াছ (রাঃ)
১৭৪. হযরত আমর বিন ইয়াছ (রাঃ)
১৭৫. হযরত আমর বিন কয়েস (রাঃ)
১৭৬. হযরত ফাকেহ বিন বিশ্র (রাঃ)
১৭৭. হযরত নওফল বিন সা’লাবা (রাঃ)
১৭৮. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন সা’লাবা (রাঃ)
১৭৯. হযরত মুনযির বিন আমর (রাঃ)
১৮০. হযরত আবু উসায়েদ মালেক (রাঃ)
১৮১. হযরত মালেক বিন মাসউদ (রাঃ)
১৮২. হযরত আবদে রাব্বিহি (রাঃ)
১৮৩. হযরত কা’ব বিন জাম্মায (রাঃ)
১৮৪. হযরত জমরাহ বিন আমর (রাঃ)
১৮৫. হযরত যিয়াদ বিন আমর (রাঃ)
১৮৬. হযরত হুবাব বিন মুনযির (রাঃ)
১৮৭. হযরত উমায়ের বিন হারাম (রাঃ)
১৮৮. হযরত উমায়ের বিন হুমাম (রাঃ)
১৮৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আমর (রাঃ)
১৯০. হযরত মুআজ বিন আমর (রাঃ)
১৯১. হযরত মুআউওয়াজ বিন আমর (রাঃ)
১৯২. হযরত খাল্লাদ বিন আমর (রাঃ)
১৯৩. হযরত উকবাহ্ বিন আমের (রাঃ)
১৯৪. হযরত সাবেত বিন খালেদ (রাঃ)
১৯৫. হযরত বিশ্র বিন বারা (রাঃ)
১৯৬. হযরত তোফায়েল বিন মালেক (রাঃ)
১৯৭. হযরত তোফায়েল বিন নোমান (রাঃ)
১৯৮. হযরত সিনান বিন সাঈফী (রাঃ)
১৯৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জাদ (রাঃ)
২০০. হযরত উৎবা বিন আব্দুল্লাহ্ (রাঃ)
২০১. হযরত জাব্বার বিন সাখর (রাঃ)
২০২. হযরত খারেজা বিন হিময়ার (রাঃ)
২০৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন হুমায়্যির (রাঃ)
২০৪. হযরত ইয়াযিদ বিন মুনযির (রাঃ)
২০৫. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন নোমান (রাঃ)
২০৬. হযরত জহহাক বিন হারেসা (রাঃ)
২০৭. হযরত আসওয়াদ বিন যুরাইক (রাঃ)
২০৮. হযরত মা’বাদ বিন কায়েস (রাঃ)
২০৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কায়েস খালেদ (রাঃ)
২১০. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্দে মানাফ্ (রাঃ)
২১১. হযরত খালিদ বিন কায়েস (রাঃ)
২১২. হযরত সুলাইম বিন আমর (রাঃ)
২১৩. হযরত কুতবা বিন আমের (রাঃ)
২১৪. হযরত আন্তারা মাওলা বনী সুলাইম (রাঃ)
২১৫. হযরত আব্স বিন আমের (রাঃ)
২১৬. হযরত সা’লাবা বিন আনামা (রাঃ)
২১৭. হযরত আবুল য়াসার বিন আমর (রাঃ)
২১৮. হযরত উবাদা বিন কয়েস (রাঃ)
২১৯. হযরত আমর বিন তাল্ক (রাঃ)
২২০. হযরত মুআজ বিন জাবাল (রাঃ)
২২১. হযরত কয়েস বিন মুহ্সান (রাঃ)
২২২. হযরত হারেস বিন কয়েস (রাঃ)
২২৩. হযরত সা’দ বিন উসমান (রাঃ)
২২৪. হযরত উকবা বিন উসমান (রাঃ)
২২৫. হযরত জাকওয়ান বিন আবদে কয়েস (রাঃ)
২২৬. হযরত মুআজ বিন মায়েস (রাঃ)
২২৭. হযরত আয়েজ বিন মায়েজ (রাঃ)
২২৮. হযরত মাসউদ বিন সা’দ (রাঃ)
২২৯. হযরত রিফাআ বিন রাফে’ (রাঃ)
২৩০. হযরত খাল্লাদ বিন রাফে’ (রাঃ)
২৩১. হযরত উবায়েদ বিন যায়েদ (রাঃ)
২৩২. হযরত যিয়াদ বিন লাবীদ (রাঃ)
২৩৩. হযরত ফারওয়াহ বিন আমর (রাঃ)
২৩৪. হযরত আতিয়্যা বিন নুওয়াইরা (রাঃ)
২৩৫. হযরত খলিফা বিন আদী (রাঃ)
২৩৬. হযরত উমারা বিন হায্ম (রাঃ)
২৩৭. হযরত সুরাকা বিন কা’ব (রাঃ)
২৩৮. হযরত হারেসা বিন নোমান (রাঃ)
২৩৯. হযরত সুলাইম বিন কয়েস (রাঃ)


২৪০. হযরত সুহাইল বিন কয়েস (রাঃ)
২৪১. হযরত আদী বিন আবুয্ যাগ্বা (রাঃ)
২৪২. হযরত মাসউদ বিন আউস (রাঃ)
২৪৩. হযরত আবু খুজাইমাহ্ বিন আউস (রাঃ)
২৪৪. হযরত রাফে’ বিন হারেস (রাঃ)
২৪৫. হযরত মুআওয়াজ বিন হারেস (রাঃ)
২৪৬. হযরত নোমান বিন আমর (রাঃ)
২৪৭. হযরত আমের বিন মুখাল্লাদ (রাঃ)
২৪৮. হযরত উসাইমা আশযায়ী (রাঃ)
২৪৯. হযরত ওদীআহ বিন আমর (রাঃ)
২৫০. হযরত আবুল হামরা মাওলা হারেস (রাঃ)
২৫১. হযরত সা’লাবা বিন আমর (রাঃ)
২৫২. হযরত সুহাইল বিন আতীক (রাঃ)
২৫৩. হযরত হারেস বিন আতীক (রাঃ)
২৫৪. হযরত হারেস বিন ছিম্মাহ (রাঃ)
২৫৫. হযরত উবাই বিন কা’ব (রাঃ)
২৫৬. হযরত আনাস বিন মুআজ (রাঃ)]
২৫৭. হযরত আউস বিন সামেত (রাঃ)
২৫৮. হযরত আবু তালহা যায়েদ বিন ছাহল (রাঃ)
২৫৯. হযরত হারেসা বিন সুরাকা (রাঃ)
২৬০. হযরত আমর বিন সা’লাবা (রাঃ)
২৬১. হযরত সাবেত বিন খানছা (রাঃ)
২৬২. হযরত আমের বিন উমাইয়াহ্ (রাঃ)
২৬৩. হযরত মুহ্রিয বিন আমের (রাঃ)
২৬৪. হযরত সাওয়াদ বিন গাযিয়্যাহ (রাঃ)
২৬৫. হযরত আবু যায়েদ কয়েস বিন সাকান (রাঃ)
২৬৬. হযরত আবুল আওয়ার বিন হারেস (রাঃ)
২৬৭. হযরত হারাম বিন মিল্হান (রাঃ)
২৬৮. হযরত কয়েস বিন আবী সা’সা (রাঃ)
২৬৯. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন কা’ব (রাঃ)
২৭০. হযরত উসাইমা আসাদী (রাঃ)
২৭১. হযরত আবু দাউদ উমাইর (রাঃ)
২৭২. হযরত সুরাকা বিন আমর (রাঃ)
২৭৩. হযরত কয়েস বিন মাখলাদ (রাঃ)
২৭৪. হযরত নোমান বিন আব্দে আমর (রাঃ)
২৭৫. হযরত জহ্হাক বিন আব্দে আমর (রাঃ)
২৭৬. হযরত সুলাইম বিন হারেস (রাঃ)
২৭৭. হযরত জাবের বিন খালেদ (রাঃ)
২৭৮. হযরত সা’দ বিন সুহাইল (রাঃ)
২৭৯. হযরত কা’ব বিন যায়েদ (রাঃ)
২৮০. হযরত বুজাইর বিন আবি বুজাইর (রাঃ)
২৮১. হযরত ইৎবান বিন মালেক (রাঃ)
২৮২. হযরত মুলাইল বিন ওবারাহ (রাঃ)
২৮৩. হযরত হেলাল বিন মুআল্লাহ (রাঃ)
২৮৪. হযরত আনাছাহ আল হাবাশী (রাঃ)
২৮৫. হযরত বাহ্হাস বিন সালাবা (রাঃ)
২৮৬. হযরত জাব্র বিন আতীক (রাঃ)
২৮৭. হযরত আবু আয়্যুব আনছারী (রাঃ)
২৮৮. হযরত খিরাশ ইবনুস সিম্মাহ (রাঃ)
২৮৯. হযরত খুরাইম বিন ফাতেক (রাঃ)
২৯০. হযরত খুবাইব বিন ইছাফ (রাঃ)
২৯১. হযরত খুবাইব বিন আদী (রাঃ)
২৯২. হযরত খিদাশ বিন কাতাদা (রাঃ)
২৯৩. হযরত খালেদ বিন সুওয়াইদ (রাঃ)
২৯৪. হযরত রাফে’ বিন আল মুআল্লা (রাঃ)
২৯৫. হযরত রুখায়লা বিন সা’লাবা (রাঃ)
২৯৬. হযরত সাব্রা বিন ফাতেক (রাঃ)
২৯৭. হযরত সুহাইল বিন রাফে’ (রাঃ)
২৯৮. হযরত সুওয়াইবিত বিন হারমালা (রাঃ)
২৯৯. হযরত তুলাইব বিন উমাইর (রাঃ)
৩০০. হযরত উবাদা বিন খাশখাশ কুজায়ী (রাঃ)
৩০১. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন জুবাইর বিন নোমান
(রাঃ)
৩০২. হযরত আবু সালামা বিন আব্দুল আসাদ (রাঃ)
৩০৩. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন আব্বাস (রাঃ)
৩০৪. হযরত আব্দুল্লাহ্ বিন উনায়েছ (রাঃ)
৩০৫. হযরত উবাইদ বিন সা’লাবা (রাঃ)
৩০৬. হযরত উমায়ের বিন নিয়ার (রাঃ)
৩০৭. হযরত মালেক বিন আবী খাওলা (রাঃ)
৩০৮. হযরত মালেক বিন কুদামা (রাঃ)
৩০৯. হযরত মুরারা বিন রবী’ (রাঃ)
৩১০. হযরত মাসউদ বিন খাল্দাহ (রাঃ)
৩১১. হযরত মুআজ বিন হারেস (রাঃ)
৩১২. হযরত মা’কিল বিন আলমুনযির (রাঃ)
৩১৩. হযরত নোমান বিন আছার বিন হারেছ (রাঃ)


*************** ***

Monday, May 4, 2015

রাসুলুল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم হায়াতুন্নবী :-

বিসমিল্লাহ হির রাহমানির রাহীম


Topic :- হায়াতুন্নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)

Reference Collection , Translation & Written by
(Masum Billah Sunny)

Note : দয়া করে অধইর্য হবেন না এখানে হাদিস কম reference বেশি তাই বড় হয়ে গেল।

এই লেকচারের সারকথা :

step(1) সকলেই মৃত্যুর স্বাধ গ্রহন করবে ।
step(2) সাধারণ মানুষ মৃত্যুর পর দেহ মাটির সাথে মিশে যায় ।
step(3) নবীগন ও অলিগন তাদের ওফাতের পর ও হায়াতে জিন্দেগির মত স্বশরীরে জিবীত থাকেন (তাদের হালত ঘুমন্ত অবস্থার ন্যায়)

ANALYSIS STEP NO 3 :-

সকল নবীগণ :~~

(a) ওফাতের পর ও শতশত বছর ধরে ও নবীগনের শরীর মোবারক অক্ষত থাকে এ কারনে যে উফাতের পরে ও তাঁদের শরীরে রক্ত প্রবাহিত থাকে।
(b)আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদেরকে রিজিক দেয়া হয়।
(c) তারা সালাত আদায় করেন।



এখানে যে ছবিটা তা মহানবী (স) অন্যতম সাহাবি হযরত যুহাইর বিন কাইস (র) পবিত্র মাজার শরিফের ধ্বংস স্তূপের ছবি ! ওনার দেহ মোবারক ১৪০০ বছর পরও সদ্ব্য দাফনকৃত দেহের মত এমন কি কাফনের কাপড় পর্যন্ত পচন ধরে নি এই আল্লাহর অসীম কুদরত। এখানে দেখুন :-

http://goo.gl/ljWYhT

নবীজী (সা) এর সাহাবীগনের যদি এমন অবস্থা হয় নবী-রাসুলগনের অবস্থা কেমন হবে ভেবে দেখুন।



Al-QURAN: আল-কোরআনের আলোকে হায়াতুন্নবী (সা):-



★ আল্লাহ বলেছেন, প্রত্যেক প্রানকেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে। সুরা আল-ইমরান ১৮৫

Note:- তাই রাসুল(সা) ও একবার মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করেছেন।
আল্লাহর বানী অবশ্যই সত্যি।

وَمَا جَعَلْنَا لِبَشَرٍ مِّن قَبْلِكَ الْخُلْدَ أَفَإِن مِّتَّ فَهُمُ الْخَالِدُونَ

★ আপনার পূর্বেও কোন মানুষকে আমি অনন্ত জীবন দান করিনি। সুতরাং আপনার মৃত্যু হলে তারা কি চিরঞ্জীব হবে? [সুরা আম্বিয়া: ৩৪]

كُلُّ نَفْسٍ ذَائِقَةُ الْمَوْتِ وَنَبْلُوكُم بِالشَّرِّ وَالْخَيْرِ فِتْنَةً وَإِلَيْنَا تُرْجَعُونَ

★ প্রত্যেককে মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে। আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভাল দ্বারা পরীক্ষা করে থাকি এবং আমারই কাছে তোমরা প্রত্যাবর্তিত হবে। [সুরা আম্বিয়া: ৩৫]

Note:- রাসুলুল্লাহ (সা) শরীয়ত আর আল-কুরআনের শ্বাশত হুকুম অনুসারে একবার মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করে নিয়েছেন।
আল্লাহ চিরঞ্জিব তিনি ছাড়া কেউ চিরঞ্জিব না চিরঞ্জিব মানে হল যে অমর তার আগেও কখনো মৃত্যু হয়নি ভবিষ্যতেও কোন দিন হবে না তিনি অনাদি অনন্ত।

আল্লাহ সমস্ত শাহাদাতবরন কারী শহিদ দের জীবিত বলে ঘোষনা করেছেন আর তার হাবিবকে কি রওজা মোবারকে মৃত রাখবেন?( নাউযুবিল্লাহ)


Ayiah (1)– আল্লাহ পাক ইরশাদ করেন:-

وَلَا تَحْسَبَنَّ الَّذِينَ قُتِلُوا فِي سَبِيلِ اللَّهِ أَمْوَاتًا ۚبَلْ أَحْيَاءٌ عِندَ رَبِّهِمْ يُرْزَقُونَ

যারা আল্লাহ্‌ পাকের রাস্তায় মৃত্যুবরন করেছেন (শহীদ হয়েছেন) তাদের কে তুমি মৃত মনে করো
না, বরং তারা তাঁদের নিজেদের রব এর নিকট জীবিত ও (রবের পক্ষ থেকে) রিজিক প্রাপ্ত।”(সুরা আলইমরান ১৬৯)

Ayiah(2):–

وَلاَ تَقُولُواْ لِمَنْ يُقْتَلُ فِي سَبيلِ اللَّهِ أَمْوَاتٌ بَلْ أَحْيَاء وَلَكِن لاَّ تَشْعُرُونَ (سورة البقرة-154

“আল্লাহর পথে যারা শহীদ হয় তাদের তোমরা মৃত বল না। বরং তারা জীবিত। তবে তোমরা তা উপলব্ধি করতে পারো না।”
(সূরা বাকারা-১৫৪)


Proof::-

2:154,3:169 আয়াত এর ব্যাখ্যা :

★ ‘আমি বলব, নবীদের হায়াতের ব্যাপারে কোন প্রশ্ন নেই। কেননা নবীগণ শহীদগণ হতে শ্রেষ্ঠ। আর শহীদগণ তো তাদের রবের নিকট যিন্দা। সুতরাং নবীগণ তো প্রশ্নাতীতভাবেই যিন্দা থাকবেন।’ (উমদাতুল কারী-১১/৪০২)।

★ ‘শহীদগণ যেহেতু দলিলের ভিত্তিতে জীবিত প্রমাণিত, কোরআনে তার সুষ্পষ্ট বর্ণনা আছে, সুতরাং নবীগণ জীবিত থাকবেন। কারণ তারা শহীদগণ হতে উত্তম।’ (ফাতহুল বারী-৬/২৮৮)।

এটা ইমাম তিরমিযী(র) ও ইমাম বাইহাকী(র) সহীহ হাদিস দারা প্রমাণ করেছেন।

Reference :

(Nayl al-Awtar, Volume 003, Page No. 82)
(Fath al-Bari sarhe bukhari, Volume 006: Page No. 379)

★ ‘নিঃসন্দেহে নবী (সা.) ওফাতের পর কবরে জীবিত আছেন। অনুরূপভাবে অন্যান্য নবী-রাসূলগণও শহীদদের চেয়েও পূর্ণ হায়াতে জীবিত। যাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা’য়ালা তাঁর পবিত্র কিতাবে সংবাদ দিয়েছেন।’ (ওয়াফাউল ওয়াফা-২/৪০৫)।

() Proof ($):::--

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস(রাঃ) থেকে বর্ণিত যে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم বলেন,

" অতঃপর যখন তারা (শহীদগন) খাবার ,পানীয় এবং বিশ্রামের স্বাদ অনুভব (ভোগ) করবে ,তারা জিজ্ঞেস করবে : কে আমাদের (সঙ্গী)ভাতৃগণদের আমাদের সম্বন্ধে বলবে যে আমরা জান্নাতে জিবীত আছি এবং আমাদেরকে রিজিক দেয়া হয় ।

Reference :

★ ABU DAWOOD (Book #14, Hadith #2514)

★ MISHKAT (HADITH 3853)


★ IBN KHATEER UNDER THE COMMENTARY OF SURAH IMRAN 3 VERSE 169)






আল্লাহ একবার বলেন -
""" প্রত্যেক কেই মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে""
আরেক বার বলেন -
""" শহীদগনকে মৃত বল না বরং তারা জীবিত ""

এই ২ ধরনের আয়াতের সমাধান কি?


                           Sollution :-


ওহাবীদের সকল মুর্খতার নিরসন:-

"""...........আবূ বকর (রাঃ) নাবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর মুখমণ্ডল উম্মুক্ত
করে তাঁর উপর ঝুকে পড়লেন এবং চুমু
খেলেন, তারপর কাঁদতে লাগলেন
এবং বললেন, ইয়া নাবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ! আমার
পিতা আপনার জন্য কুরবান হোক। আল্লাহ
আপনার জন্য """দুই মৃত্যু একত্রিত করবেন না।"""
"""তবে যে মৃত্যু আপনার জন্য নির্ধারিত
ছিল তা তো আপনি কবুল করেছেন। """

........... আবূ বকর (রাঃ) বললেন
আম্মা বা'দু, তোমাদের
মধ্যে """"যারা মুহাম্মদ এর ইবাদত করতে,
(তারা জেনে রাখ) মুহাম্মদ সত্যই ইন্তিকাল করেছেন। """"
আর """যারা মহান আল্লাহর ইবাদত করতে,
(তারা জেনে রাখ) নিশ্চয়ই আল্লাহ চিরঞ্জিব, অমর। """

SAHIH BUKHARI : জানাযা অধ্যায় : ১১৬৯



                    EXPLAIN of this Hadith :


এই হাদিসের ব্যাখ্যা দ্বারা উপরোক্ত সমস্ত আয়াতের ব্যাখ্যাও CLEAR হয়ে যাবে।

1) এখানে ২ মৃত্যু একত্রিত করবেন না মানে কি?

★ এর মানে হল দুনিয়া থেকে আড়াল হওয়ার জন্য ১ বারই তারা মৃত্যুর স্বাদ নেন। যেমন : নবী-রাসুলগন / শহীদগন / অলীগন। অত:পর তারা মুক্ত এবং আল্লাহর মহা পুরষ্কার জান্নাত প্রাপ্ত হন আর মৃত্যু ব্যতীত জান্নাতে যাওয়া যায় না।

★ আর পাপীষ্ট কাফিরদের জন্য ২ মৃত্যু : ১টা দুনিয়া থেকে মৃত্যু নিয়ে পরপারে। আরেকটা কবরের আজাবে প্রতিনিয়ত মৃত্যু হয় আবার জীবিত হয়, পুনরায় মৃত্যু হয় পুনরায় জীবিত হয় এইভাবেই চলতে থাকে তাদের আজাব। তাদেরকে আজাবের জন্যই জীবিত করা হয় আবার আজাবের জন্যই মৃত্যুদান করা হয়।



2) """"যারা মুহাম্মদ এর ইবাদত করতে,
(তারা জেনে রাখ) মুহাম্মদ সত্যই ইন্তিকাল করেছেন। """" এই কথার মানে কি?



★ ওহাবীরা তোমরা কি রাসুল (সা) এর ইবাদত কর?

**** যদি হ্যা হয় তবে তিনি তোমাদের কাছে মৃত
**** আর যদি আল্লাহর ইবাদত কর তবে তিনি
মৃত নন (১বার মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করে নিয়েছেন অত:পর ২:১৫৪ & ৩:১৬৯ আয়াত অনুযায়ী তিনি জীবিত। আবার ওনাকে চিরঞ্জিবও বলা যাবে না কারন যেহেতু একবার মৃত্যুর স্বাদ নিয়ে নিয়েছেন)

অতএব ""যারা মহান আল্লাহর ইবাদত করতে,
(তারা জেনে রাখ) নিশ্চয়ই আল্লাহ চিরঞ্জিব, অমর। """

SAHIH BUKHARI : জানাযা অধ্যায় : ১১৬৯

 """"""
আর আল্লাহর দয়ায় তার সমস্ত প্রিয় নবীগন ও অলীগন তাদের ওফাতের পরও জীবিত আছেন তাদের অবস্থা ঘুমন্ত অবস্থার ন্যায়।



★★★ এখন স্পষ্ট সহিহ হাদিস থেকে হায়াতুন্নবীর প্রমান ★★★




বিশেষ দ্রাষ্টব্য : আমি (মাসুম বিল্লাহ সানি) এখানে আনাস বিন মালিক (রাঃ) ও আব্দুল্লাহ বিন মাসুদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত ৩/৪ টি হাদীসের সমন্বিত অনুবাদ দিলাম। নিচে উল্লেখিত হাদিসের বাক্যগুলোর মধ্যে একটি word ও কোন হাদিস বহির্ভুত নয় সব হাদিসের অন্তর্ভুক্ত । বেশি বড় হয়ে যাবে বলে আলাদা আলাদা উল্লেখ না করে এক সাথে একত্র করে ফেললাম :

রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
বলেন,""
আমার জীবন তোমাদের জন্য কল্যাণকর (৩ বার বলেছেন)।
আমার ওফাত ও তোমাদের জন্য কল্যাণকর (৩ বার বলেছেন)।

অতঃপর লোকজন নিরব হয়ে গেল! হযরত ওমর (রাঃ) বললেন,
"আমার পিতা মাতা আপনার উপর কোরবানী হউক (তাজিমার্থে)"।
তারপর তিনি জিজ্ঞেস করলেন এটা কিভাবে সম্ভব ?

রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
বলেন," আমার জীবন তোমাদের জন্য কল্যাণকর কারন ~~

""আমি তোমাদের সাথে কথা বলি এবং তোমরা আমার সাথে কথা বল ।""

""আমার উপর (দয়াময় রব আসমান থেকে) ওহী নাযিল করেন ।আমি তোমাদেরকে বলে (সতর্ক করে) দেই তোমাদের জন্য কোনটা জায়েজ (উচিত) আর কোনটা নাজায়েজ অনুচিত ।""

"আর আমার ওফাত ও তোমাদের জন্য কল্যাণকর কারণ প্রতি বৃহস্পতিবার এ তোমাদের কর্ম গুলো আমার নিকট ওপস্থিত করা হবে ।তোমাদের কোন ভাল কাজ দেখলে তার জন্য আল্লাহর কাছে তোমাদের প্রশংসা করব আর (এর জন্য প্রভুর) কৃতজ্ঞতা স্বীকার করব !"

"তোমাদের কোন পাপ দেখলে তার জন্য আল্লাহর কাছে মাগফেরাত কামনা করব ।""

ইমাম বাযযার (রহ) ওনার মুসনদে বাযযারে এ বিষয়ে ১টি হাদিস সংকলন করেছেন তার সনদ :-

حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى ، قَالَ : حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَجِيدِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رَوَّادَ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ السَّائِبِ ، عَنْ زَاذَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللهِ

Imam Bazzar
|
Yousuf bin Mosa
|
Abdul Majid bin Abdul Azeez bin Abi Ruwad
|
Sufyan (thawri)
|
Abdullah bin Sa’ib
|
Zadhaan
|
Abdullāh bin Mas‘ūd

References :

★ From: Bazzar
Book: Al Musnad
Volume: 5
Page: 308
Hadith number: 1925

★ From: Shashi
Book: Al Musnad
Volume: 2
Page: 253
Hadith number: 826

★ From: Abu Hatim
Book: al-Jarh wa ’l-Ta ‘ dil ,
Volume : 6/64

★ From : ibn Hajar Asqalani
Book: Taqrib wa ’l-Tahdhib
Volume : 1/478

★ From : Imam Abu Dawud

★ From: Imam Ahmad b. Hanbal

★ ibn Ma‘in,

★ From : Imam al-Nasa’i
Book: As-sunan

★ From : Shaykh Shu‘ayb al-Arna’ut
Book: Tahrir al-Taqrib ,
Volume : 2/379
Hadith : 4160

★From : al-Mughni ,
Volume : 1/571
Hadith : 3793

★ Book : Tarikh al-Dawri,
Volume : 2/370

★ Book : al-Burqani,
page .317

★ From : ibn Hibban,
Book : Kitab al-Majruhin ,
Volume : 2/160.

★ Book : Kitab al-Hajj
Page : (#179).

★ From : ibn Hajar al-‘Asqalani’
Book : Matalib al -‘ Aliyah ,
Volume : 4/22.

★ From : al-Suyuti
Book : Manahil al-Safa fi Takhrij Ahadith al-Shifa’
page .31 (#8)

★ Book : Tahdhib of that book
From : Shaykh ‘Abd Allah al-Talidi,
Page. 458-459 (# 694)

★ From : al-Munawi,
Book : Fayd al-Qadir
Volume : 3/401

★ From : an Haml al-Asfar
Volume : 4/148

★ From : Mahmud Mamduh
Book : Raf ‘ al-Minarah ‘ an Takhrij Ahadith al-Ziyarah ,
Page.156-159

★ From : Abd al-Hadi
Book : al-Sarim al-Munki , p.217

★ From : al-Albani
Page : 37
Book : Silsilah Ahadith al-Da ‘ ifah
Hadith : (#979).

★ From: Juhdami
Book: Fadl As Salah ‘Alan NABI PEACE BE UPON HIM
Volume: 1
Page: 38-39
Hadith number: 25-26

★ From: Ibn e Sa’d
Book: Tabqaat
Volume: 2
Page: 194

★ From: Daylami
Book: Musnad Al Firdoos
Volume: 1
Page: 183
Hadith number: 686

★ From: Haithami
Book: Majma’ Az Zawaid
Volume: 9
Page: 24
Hadith : 91

★ From: Zahabi
Book: Sayyir Al A’laam An Nubala
Volume: 17
Page: 106

★ From: Mizzi
Book: Tahdheeb al Kamal
Volume: 14
Page: 558

★ From: Hafiz Ibn e Katheer
Book: Tafseer Al Quran Al Azeem
Volume: 3
Page: 516

★ From: Zurqani
Book: Sharah Al Mawahib
Volume: 7
Page: 373

★ From: Al Haarith in Al Musnad (Zawaid Al haithami)
Book: Alamat An Nubuwwah
Chapter : Hayatihi wa Wafatihi
Volume: 2
Page: 884
Hadith number : 953

★ From: Ibn e sa'd
Book: Tabqaat Al Kubra
Vol+Page : 2 /194 & 5/500



★ From: Ibn e Jawzi
Book: Al Wafa bi Ahwaal Al Mustafa PEACE BE UPON HIM
Page: 862
Hadith number : 1564

★ From: Hindi
Book: kanzul A'mal
Volume: 11
Page: 407
Hadith number : 31904

★ From: Subki
Book: Shifa As Siqaam
Page: 34

★ From: Imam Jalal ud Din Suyuti
Book: Khasais Al Kubra
Volume: 2
Page: 491

★ From: Mulla Ali Qari
Book: sharah Shifa
Volume: 36

★ From: Khifaji
Book: Naseem ur Riyadh Sharah shifa Qadi Ayyad
Volume: 1
Page: 173

★ From: Fayrooz Abadi
Book: As Salat wal Bashar fis Salat ala Khair il Bashar
Page: 104-105

★ From: Al- Irāqī
Book: Tarh al-Tathrib fi Sharh
Volume : 3:297

★ From : al-Mundhiri
Book : Targheeb waal-Tarheeb
Volume: 3:343

★ From: Daylami
Book: Musnad Al Firdos
Volume: 2
Page: 137
Hadith number: 2701

★ From: Qadi Ayyad
Book: As Shifa
Page: 19

★ From: Hakeem Tirmidhi
Book: Nawadir Al Usul
Volume: 4
Page: 176

★ From: Zahabi
Book: Mizan Al Itidal
Volume: 2
Page: 439

★ From: Ibn e 'Adi
Book: Al Kaamil
Volume: 3
Page: 76

★ From: Ibn e Hajr 'Asqalani
Book: Lisan Al Mizan
Volume: 2
Page: 395
ID: 1620

★ From: 'Ajluni
Book: Kashaf Al Khifa
Volume: 1
Page: 1178

★ From: Imam Jalal ud Din suyuti
Book: Al Hawi Lil Fatawa
Volume: 2
Page: 3

★ From: Sakhawi
Book: Al Qaul Al Badi' Fee salat 'Ala Al Habeeb Ash Shafee'
Page: 160

★ From: Nabhani
Book: Hujjat ALLAH 'alal Alameen fee Mu’jazat Al Mursaleen PEACE BE UPON HIM
Page: 713




() Hadith~$~::- বিভিন্ন সহীহ হাদিসে এইটুকু বর্নিত আছে যে : -



রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
বলেন," আল্লাহ সুবহানু তায়ালা জমিনের জন্য নবীগণের দেহ কে ভক্ষণ করা হারাম করে দিয়েছেন।
(সংক্ষিপ্ত)

Reference :-

★ Imam Majah, Sunan Ibn Majah, Book : As Salah wa Sunnah feeha Chapter : Fadl yaum Al Jumu'ah (79) Volume : 1 Page : 345 Hadith number : 1085

★ Sahih Ibne Majah : 1636

★ ibn Majah in his Sunan also has the addition: “fa nabi Allah hayyun yurzaqu”, 1/524 (#1637)

★ Sahih ibn Majah : 889

★ Abu Dawud, Sunan, 1/275 : 1647,

★ Abu Dawud, as sunan 1531)

★ Sahih Abu Dawud as Sunan (#962)

★ Sahih Abu Dawud as Sunan 1047

★ Imam Nasai, Sunan Nasai, Book : As Salah Volume : 2 Page : 101 Hadith number : 1373

★ al-Nasa’i, Sunan : 1374

★ Sunan Nasai : 1666

★ al-Tabrizi, Mishkat al-Masabih : 1366 &

★ Sahih Miskatul Masabih : 1361

★ Imam Darimi, Sunan Darmi, Book : As Salah Chapter : Fee Fadl Yaum Al Jumu'ah Volume : 1 page : 445 Hadith number : 1572

★ Imam Ahmad Bin Hambal, Al Musnad Volume : 26 Page : 84 Hadith number : 16162

★ Ibn e Khuzimah in his Sahi, Volume : 3, Page : 118, Hadith number : 1733

★ Sahih Ibn Khuzaimah : 1734

★ Imam Shaybani : al-Ahad wa ’l-Mathani : 3/217 (#1577);

★ Ibn e Abi Shaibah in Musannaf, Book : As Salah Chapter : 795 Volume : 6 Page : 40 Hadith number : 8789

★ Imam Bayhaqi : Shu'b Al Eman, Chapter : Fadl As Salah 'Ala An NABI SAW Volume : 4 Page : 432 Hadith number : 2768

★ Imam Bayhaqi : Sunan Al Kubra, Book : Al Juma'ah Chapter : 105 Volume : 3 Page : 353 Hadith number : 5993

★ Imam Bayhaqi : As-Sunan As-Sugra : 1/371, Hadith 634

★ Imam Bazzar, Musnad Al Bazzar, Volume : 8 Page : 411 Hadith number : 3485

★ Mustadrak of al-Hakim, 1/413 (#1029, 3577 & 8601) where he grades it according to the criteria of Bukhari and Muslim.

★ Imam Tabrani, Ma'jam Al Kabeer Volume : 1 Page : 216-217 Hadith number : 589

★ Imam Tabrani , Ma'jam Al Ausath Volume : 5 Page : 97 Hadith number : 4780

★ Abd al-Razzaq in his Musannaf,2/253 (#8697);

★ al-Suyuti in Anba’ al-Adhkiyah;

★ ibn al-Qayyim al-Jawziyyah, Kitab al-Ruh, p.62

★ ibn Hibban in his Sahih with the wording: “an ta’kula ajsamana– [Allah has prohibited the earth] to consume our bodies,” 3/190 (#910).

★ al-Albani’s Irwa’ al-Ghalil, 1/35& (#4);

★ al-Ta‘liq al-Targhib, 1/249

★ Takhrij Fadl al-Salah ‘ala ’l-Nabi (#22) of Imam Isma‘il al-Qadi.

★ al-Dhahabi confirms the grading in his al-Talkhis;

★ Imam Nawawi said "Isnaad is Sahih" , Al Azkaar, Chapter : As salah 'Ala AN NABI SAW Volume : 1 Page : 131-132 Hadith number : 302

★ Imam Ibn e Hajar 'Asqalani, fathul Bari , Volume : 6 Page : 562

★ Zahdami : Fajlus Salati Al An-Nabi : P34, hadith 22

★ Ajluni : Kasful khifa : 1/190, Hadith 501

★ Ibn Katheer : Tafsire Ibn Katheer : 3/515




() Proof ($):::--

আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস(রাঃ) থেকে বর্ণিত যে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم বলেন,

" অতঃপর যখন তারা (শহীদগন) খাবার ,পানীয় এবং বিশ্রামের স্বাদ অনুভব (ভোগ) করবে ,তারা জিজ্ঞেস করবে : কে আমাদের (সঙ্গী)ভাতৃগণদের আমাদের সম্বন্ধে বলবে যে আমরা জান্নাতে জিবীত আছি এবং আমাদেরকে রিজিক দেয়া হয় ।
এজন্য যে তারা যেন জিহাদকে অপছন্দ না করে এবং (দ্বীনের জন্য) যুদ্ধক্ষেত্র থেকে যেন তারা ভয়ে পালিয়ে না যায় ।

Reference :

★ ABU DAWOOD (Book #14, Hadith #2514)

★ MISHKAT (HADITH 3853)

★ IBN KHATEER UNDER THE COMMENTARY OF SURAH IMRAN 3 VERSE 169)




($). Hadith : সহিহ হাদিসে বর্নিত আছে :

عَنْ أَوْسِ بْنِ أَوْسٍ رضي الله عنه قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اﷲِ صلي الله عليه وآله وسلم. إِنَّ مِنْ أَفْضَلِ أَيَامِکُمْ يَوْمَ الْجُمُعَةِ، فِيْهِ خُلِقَ آدَمُ، وَفِيْهِ قُبِضَ وَفِيْهِ النَّفْخَةُ، وَفِيْهِ الصَّعْقَةُ فَأَکْثِرُوْا عَلَيَّ مِنَالصَّلَاةِ فِيْهِ، فَإِنَّ صَلَاتَکُمْ مَعْرُوْضَةٌ عَلَيَّ، قَالَ : قَالُوْا : يَا رَسُوْلَ اﷲِ! کَيْفَ تُعْرَضُ صَلَاتُنَا عَلَيْکَ وَقَدْ أَرِمْتَ؟ يَقُوْلُوْنَ : بَلِيْتَ قَالَ صلي الله عليه وآله وسلم : إِنَّ اﷲَ حَرَّمَ عَلَي الْأَرْضِ أَجْسَادَالْأَنْبِيَاءِ

আওস বিন আওস (রা.) হতে বর্ণিত,

রাসুলুল্লাহ (صلى الله عليه و آله وسلم) বলেন: সপ্তাহের দিনগুলোর মদ্ধে জুমুয়ার দিন সর্বাধিক সেরা ।কারণ ঐ দিন আদম(আঃ) সৃষ্টি করা হয়েছিল ঐ দিনই ওনার ওফাত হয়েছিল ।ঐ দিন সিঙ্গায় ফুত্‍কার দেয়া হবে আর ঐ দিনই (কিয়ামতের) চিত্‍কার শুরু হবে !তাই ঐ দিন বেশি বেশি করে আমার প্রতি দুরুদ পাঠাও। তোমাদের দুরুদ আমার নিকট (নিশ্চই) পৌছাঁনো হবে ।তাঁরা (সাহাবীগণ) জিজ্ঞাসা করলেন - কিভাবে আমাদের দুরুদ পেশ করা হবে যখন আপনার এ দেহের মৃত্যু হবে (বা দেহ মাটিতে মিশে যাবে) ?
রাসুলুল্লাহ (صلى الله عليه و آله وسلم) বলেন,আল্লাহ তায়ালা জমিনের জন্য নবীগণের দেহকে ভক্ষণ করা হারাম করে দিয়েছেন।

Reference :-

(1),Abu Dawud Book002, Hadith Number 1526]

(2) SUNAN NASEEI (Vol. 2, Book 4, Hadith 1375)

(3) Imam Tabrani , Ma'jam Al Ausath Volume : 5 Page : 97 Hadith number : 4780

(4) Imam Tabrani, Ma'jam Al Kabeer Volume : 1 Page : 216-217 Hadith number: 589

(5) Ibn e Abi Shaibah in Musannaf, Book : As Salah Chapter : 795 Volume : 6 Page : 40 Hadith number : 8789

(6) Imam Ahmad Bin Hambal, Al Musnad Volume : 26 Page : 84 Hadith number : 16162

(7) Imam Bazzar, Musnad Al Bazzar, Volume : 8 Page : 411 Hadith number : 3485

(8) Ibn e Hibban in his Sahih, Book : Ar Raqaiq Chapter : Ad'iyah Volume : 3 page :190-191 Hadith number : 910

(9) Ibn e Khuzimah in his Sahi kitab, Volume : 3, Page : 118, Hadith number : 1733-1734

(10) Imam Bayhaqi, Shu'b Al Eman Chapter: Fadl As Salah 'Ala An NABI SAW Volume : 4 Page : 432 Hadith number : 2768

(11) Imam Bayhaqi, Sunan Al Kubra, Book: Al Juma'ah Chapter : 105 Volume : 3 Page: 353 Hadith number : 5993

(12) Imam Darimi, Sunan Darmi, Book : As Salah Chapter : Fee Fadl Yaum Al Jumu'ah Volume : 1 page : 445 Hadith number : 1572

(13) Imam Majah, Sunan Ibn Majah, Book :As Salah wa Sunnah feeha Chapter :Fadl yaum Al Jumu'ah (79) Volume : 1 Page : 345 Hadith number : 1085

(14) Hafiz Ibn e Katheer , Tafseer Al Quran Al Azeem Volume : 6 Page : 473 Under Tafseer of Sorat Al Ahzaab, Ayat # 56

(15) Imam Nasai, Sunan Nasai, Book : As Salah Volume : 2 Page : 101 Hadith number : 1373

(16) Imam Ibn e Hajar 'Asqalani, fathul Bari ,Volume : 6 Page :562

(17) ABU DAWOOD (Book #3, Hadith #1042)

(18) IBN MAJAH (Volume 01: Hadith 626)






() Hadith~$~::- সহিহ হাদিসে আছে :

عن أبي الدرداء قال قال رسول الله صلىالله عليه و سلم أكثروا الصلاة علي يوم الجمعة . فإنه مشهود تشهده الملائكة . وإن أحدا لن يصلي علي إلا عرضت علي صلاته حتى يفرغ منها ) قال قلت وبعد الموت ؟ قال ( وبعد الموت . إن الله حرم على الأرض أن تأكل أجساد الأنبياء (سنن ابن ماجه، كتاب الجنائز، باب ذكر وفاته صلى الله عليهو سلم، رقم الحديث-1637

হযরত আবু দারদা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন-তোমরা জুমআর দিন বেশি বেশি করে দুরুদ পড়। নিশ্চয়ফেরেস্তারা এর উপর স্বাক্ষ্যি থাকে। আর যখন কেউ আমার উপর দুরুদ পড়ে তখনই তা আমার নিকট পেশ করা হয়। আবু দারদা রাঃ বলেন-আমি জিজ্ঞাসা করলাম - মৃত্যুর পরেও কি তা পেশ করা হবে? উত্তরে তিনি বললেন-হ্যাঁ!, কেননা আল্লাহ তায়ালা জমিনের জন্য নবীদের দেহ ভক্ষণ করা হারাম করে দিয়েছেন।

Reference :

1. ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-১৬৩৭, ১৬৩৬,

2. সুনানুস সাগীর লিল বায়হাকী, হাদীস নং-৪৬৯,

3. আল মুজামুল আওসাত, হাদীস নং-৪৭৮০,

4. সুনানে দারেমী, হাদীস নং-১৫৭২,

5. মুসনাদুল বাজ্জার, হাদীস নং-৩৪৮৫,

6. মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হাদীস নং-৫৭৫৯




($) Hadith: হযরত আবু দারদা (রা:) থেকে বর্ণিত রাসুল (صلى الله عليه و آله وسلم) বলেন,"আল্লাহ্‌ পাক নবীগণের শরীর মোবারাক কে ভক্ষণ করা জমিনের জন্য হারাম করে দিয়েছেন তাই নবীগণ কবরে জীবিত এবং নিয়মিতভাবে তারা রিজিকও পেয়ে থাকেন।"

Reference :-

1) Ibn Majah narrated the above sahih (sound) hadith in his Sunan,b. of jana'iz (funerals) ch.65 (1:524#1636-7),b. of iqamat-us-salatwas-sunnah fiha (establishing prayer and its sunnahs) ch.79 (1:345#1085);

2) Abu Dawud, Sunan, b. of salat (prayer) 1:275 (#1047);

3) Nasa'i, Sunan, b. of jumu'ah (Friday prayer) 3:92;

4) Ahmad bin Hambal, Musnad (4:8);

5) Ibn Hibban, as-Sahih(3:191#910);

6) Darimi, Sunan (1:307#1580);

7) Ibn Khuzaymah, as-Sahih (3:118#1733);

8) Ibn Abi Shaybah, al-Musannaf (2:516);

9) Hakim, al-Mustadrak (1:278);

10) Tabarani, al-Mu'jam-ul-kabir (1:217#589);

11) Bayhaqi in as-Sunan-ul-kubra (3:249).




নবীগন কবরে জীবিত ও ওনাদের কবরে নামাজ পড়েন :-




Hadith ($) :-

আনাস বিন মালিক (রা) হতে বর্নিত যে,”
রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
নবীগন ওনাদের কবরে জীবিত এবং তারা সেখানে নামাজ আদায় করে

References:-

►Bayhaqi, Hayat ul-Anbiyah, Page No. 003

►Abu Ya’la in his Musnad with Sahih Isnaad Volume
006: Number 3425

►Imam al-Haythami after this hadith said: Abu Ya’la
and Bazzar narrated it and all the narrators of Abu Ya’la
are “THIQA” [Majma az Zawaid Volume 8, Page No.
387, Hadith No. 13812]

►Imam Haytami, Majma Az Zawaid , Book : Kitab Feehi
Zikar Al Ambiya (35) Chapter : Zikar Al Ambiya A.S
Volume : 8 Page : 276 Hadith number : 13812

►Al-Albani, in Silsilat al-ahadith al-sahihah Volume 02,
Page No. 187, Hadith Number 621

★ al-Suyuti, Anba’ al-Adhkiya’ (#5)

★ সহীহ কুনুযুস সুন্নাতির নববিয়্যাহ, হাদীসনং-২২



মেরাজের রজনীতে ওফাত হয়ে যাওয়া নবীগন দের দেখেছেন, তাদের সাথে কথা বলেছেন এবং তাদের নামাজও পড়তে দেখেছিলেন তাহলে ওনারা যে জীবিত তাতে আর কি সন্দেহ থাকতে পারে?



($) proof ():::---

আনাস ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে “রাসুলুল্লাহ (صلى الله عليه و آله وسلم) বলেন, আমি যখন মেরাজের রাত্রিতে হযরত মুসা আলাইহিস
সালাম এর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলাম ওনাকে ওনার কবরে (রৌযায়) নামাযরত অবস্থায় দেখলাম ।

আর ১ টা হাদিসে বলা হয়েছে
""...ওনাকে নামাযে দন্ডায়মান অবস্হায় দেখেছি।""

Reference:--

1. SAHIH MUSLIM (Book 30, Hadith 5858)

2. SAHIH MUSLIM (Book 30, Hadith 5859)

3. SUNAN NASEEI,
Sunan Al Kubra,
Book : As Salah
Ch: Zikr Salat NABI ALLAH MOSA Bil-Laiyl Vol:2
Hadith nO : 1330

4. SUNAN NASEEI (Vol 2, P- 237, Hadith no: 1630)

5. SUNAN NASEEI (Vol. 2, Book 10, Hadith 1631)

6. SUNAN NASEEI (Vol. 2, Book 10, Hadith 1632)

7. SUNAN NASEEI (Vol. 2, Book 10, Hadith 1633)

8. SUNAN NASEEI (Vol. 2, Book 10, Hadith 1634)

9. SUNAN NASEEI (Vol. 2, Book 10, Hadith 1635)

10. SUNAN NASEEI (Vol. 2, Book 10, Hadith 1636)

11. SUNAN NASEEI (Vol. 2, Book 10, Hadith 1637)

12. SUNAN NASEEI (Vol. 2, Book 10, Hadith 1638)

13. Muslim, Sahih (#2375)

14. Ahmad in his Musnad, 3/148 : 12234

15. Ahmad in his Musnad 3/248 : 12532

16. ibn Hibban in his Sahih (#49)

17. al-Albani, Silsilah Ahadith al-Sahihah (#2627)




($) Hadith(shortly translated):-

হযরত মুহাম্মাদ(দুরুদ­) বলেন ,”
আমি হযরত মুসা আলাইহিস
সালাম কে তার রৌযা মুবারাক এ নামাযরত অবস্থায় উত্তম গড়নে
দেখেছি যেমন ভাবে তিনি
সানুয়া গত্তের একজন ছিলেন।
”’মরিয়াম পুত্তর ঈসা(আ:) কে
নামায পড়তে দেখেছি……… ….(Shortly).।
”’ইব্রাহীম­ (আ:) কে সালাত আদায় করতে দেখেছি………..(Shortly).।
যখন সালাতের সময় হল
আমি তাদের নিয়ে সালাত আদায় করলাম.
আমি যখন সালাত শেষ করলাম কেহ আমাকে বলল,” এই হচ্ছে মালিক,জাহান্নামে­র রক্ষক .তাকে অভিবাদন জানান। আমি তার দিকে ফিরে তাকালাম কিন্তু তার পূর্বেই সে আমাকে অভিবাদন জানালো ।

(Sahih Muslim Book 001, Number0328)




আর সেজন্যই সাহাবীগনের এই আকিদা ছিল যে নবীগনের মাযার শুধু পাথর নয় যেখানে জিয়ারত করা হয় স্বয়ং নবী-রাসুলগন ওই খানে শুয়ে আছেন বলেই তারা জানতেন:-




($) Hadith::-

দাউদ ইবন সালিহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্নিত :

"মারউআন ইবনে আল-হাকেমرضئ اللہ تعالی عنہ (যিনি মাদিনার শাসন কর্তা ছিলেন) একদিন তিনি দেখলেন একজন লোক তাঁর মুখমণ্ডল রাসুল صلى الله عليه و آله وسلم এর রৌজা মুবারকের শীর্ষে রাখলেন ।
তিনি বললেন তুমি কি জান তুমি কি করছ?"
যখন তিনি ঐ ব্যক্তির কাছে আসলেন , তিনি বোঝতে
পাড়লেন যে ওই ব্যক্তি ছিলেন আবু আইয়ুব আল-আনসারী رضئ اللہ تعالی عنہ !
অতঃপর আবু আইয়ুব আল-আনসারী -رضئ اللہ تعالی عنہ বললেন : "হ্যাঁ (জানি); আমি (হায়াতুন্নবী) রাসুল صلى الله عليه و آله وسلم এর নিকট এসেছি কোন পাথরের নিকট নহে !"

Note : আইয়্যুব আল আনসারী (রা) ছিলেন ওই বিশিষ্ট সোভাগ্যবান সাহাবী যার বাড়িতে মদিনায় হিজরতের পর রাসুলুল্লাহ (সা) গিয়ে থেকেছিলেন।

Reference :

রেফারেন্সঃ

১) মুসনাদে ইমাম আহমাদঃ২২৪৮২/২৩৯৮৩ অথবা ৫:৪২২

২) মুসতাদরাক লিল হাকিমঃ৮৫৭১ অথবা ৪:৫১৫
কিতাবুল ফিতানি ওয়াল মালাহিম।
ইমাম হাকিম বলেন, হাদীসটি সহীহ।

৩) ওয়াফা উল ওয়াফাঃ৪/১৩৫৯

৪) সুবুলুল হুদা
from: ওয়ার রাশাদ আস সালিহী আশ শামী
খন্ড-১২,পেইজ নাম্বারঃ৩৯৮

৫) রাফউল মানারাহ
from: মাহমুদ সায়ীদ মামদূহ
পেইজ নাম্বারঃ১৯০
তিনি বলেন, হাদীসটির সনদ সহীহ।

৬) তারীখু মাদীনাতি দিমাশকঃ৫৭/২৪৯
ইবনু আসাকির।

(৭) Sahih Ibn Hibban

(৮) Al-Tabaraniin his Mu'jam al-Kabir (4:189) and his Awsat

(৯) According to Haythami in al-Zawa'id (5:245 and 5:441 #5845 Book of Hajj, & #9252 Book of Khilafa, "Chapter on the leadership of those unworthy of it"

(১০) ad-Dhahabi said it was Sahih,

(১১) as-Subkiin Shifa' al-Siqam (p. 126)

(১২) Ibn Taymiyyain al-Muntaqa (2:261 f.)





Hadith ($) :-

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন,
আমি মেরাজের রজনীতে লাল পর্বতের কাছে মুসা (আলাইহিসালাম) এর পাশ দিয়ে যখন যাচ্ছিলাম তখন ওনাকে নামাজ পড়তে দেখেছি।

Reference:–
► [Sahih Muslim Book 030, Number 5858:]
Note: Praying inside grave
represents “Haqeeqi” life

►Imam Nasai, Sunan Nasai, Book : As Salah Chapter :
Zikr Salat NABI ALLAH MOSA A.S Volume : 2 page : 237
Hadith number : 1630-1636

►Imam Nasai, Sunan Al Kubra, Book : As Salah
Chapter : Zikr Salat NABI ALLAH MOSA Bil-Laiyl Volume :
2 Page : Hadith number : 1330




() Hadith ($): সহিহ হাদিসে বর্নিত আছে : -


عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ رَسُوْلَ اﷲِ صلي الله عليه وآله وسلم قَالَ : مَا مِنْ أَحَدٍ يُسَلِّمُ عَلَيَّ إِلَّا رَدَّ اﷲُ عَلَيَّ رُوْحِي، حَتَّي أَرُدَّ عَلَيْهِ السَّلَامَ

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم বলেন, যদি তোমাদের মধ্যে কেউ আমার প্রতি সালাম জানায় আল্লাহ আমার রুহ আমাকে ফিরিয়ে দেন এবং আমি ঐ লোকের সালামের জবাব দেই ।

Reference::-

★ Abu Dawud Book 004, Hadith Number 2036
The chain is said to be rigorously authenticated (sahih)

★ Al-Hawi lil Fatawi, Vol.2, Page No.271-272[

★ Imam al-Nawawi (rah) says of this hadith :رَوَاهُ أبُو دَاوُدَ بإسناد صحيحTranslation: It is narrated by Abu Dawud with a “SAHIH CHAIN”]

★ [Nayl al Awtar 5/164]

★ Riyadh us Saliheen 1/255, Hadith # 1402[

★ Kitab al-Manasik (#97)

★ al-Albani’s edition under Ziyarah al-Qubur (#2041) where he grades it hasan.

★ he considers it sahih in his Silsilah Ahadith al-Sahihah [2266]

★ ibn Hajar al-‘Asqalani, Taqrib al-Tahdhib, 1/200

★ al-Nasa’i in his Kitab al-Du‘afa’ wa ’l-Matrukin, p.168.

★ Hafiz al-Daraqutni as quoted by ibn Hibban in his al-Thiqat, 6/188.

★ al-Mizzi’s Tahdhib al-Kamal, 7/366

★ al-Darimi’s al-Tarikh, p.260

★ Imam Ahmad also narrates the hadith in the Musnad, 2/527 (#10827);

★ ibn Ishaq al-Rahuyah in his Musnad, 1/453 (#526 & 2041);

★ ibn ‘Asakir 'Mukhtasar Tarikh Dimashq, 2/407;

★ ibn al-Najjar, Akhbar al-Madina, p.145;

★ Abu Nu‘aym al-Ispahani in his Akhbar al-Asbahan, 2/353;

★ al-Tabarani in Mu‘jam al-Awsat, 3/262 (#3092);

★ al-Bayhaqi in al-Sunan al-Kubra, 1/519 : hadith 1666

★ al-Bayhaqi in al-Sunan al-Kubra 3/249 : hadith 5789

★ al-Bayhaqi : Shu‘ab al-Iman : (#4161);

★ Ibn Kathir, Tafsir 6:464;

★ al-Mundhiri in al-Targhib wa ’l-Tarhib, 2/499

★ al-‘Asqalani’s Talkhis al-Habir, 2/267;

★ al-Haythami in Majma‘ al-Zawa’id, 1/162;

★ al-Tabrizi, Mishkat al-Masabih (#925) & 2/499;

★ al-Muttaqi al-Hindi, Kanz al-‘Ummal, 6/464

★ Murtada al-Zabidi, Ithaf al-Sadat al-Muttaqin, 4/419 & 10/365.







() Hadith ($):-

রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم বলেন," যারা আমাকে ভালবাসে আমি তাদের দুরুদ নিজ কানে শোনতে পাই এবং আমি তাদেরকে চিনি ।

Reference::--

(Dala’ile Khairaat Shareef)







Hadith ($):-

আবু হুরায়রা (রা) থেকে বর্নিত,

যে আমার কবরে (রওজা পাকে) এসে দুরুদ পাঠ করে আমি তা নিজেই শুনতে পাই আর যে দুরবর্তী স্থান থেকে আমার প্রতি দুরুদ পেশ করে তা আমার কাছে পোঁছে দেয়া হয়।

Reference :
note : উক্ত হাদিসের নির্ভরযোগ্য সনদও আছে আবার দুর্বল সনদও রয়েছে। এক এক জন এক একটা বর্ননা করেছে। তাই একাধিক সনদে বর্নিত বলে হাদিসটি গ্রহনযোগ্য। কোন জাল হাদিসের একাধিক সনদ থাকে না।

★ Shaykh `Abd Allah Siraj al-Din [with a good chain] in Thawab al-Salat `ala al-Nabi (p 214)

★ Al-Khatib Al-Bagdadi in Tarikh Baghdad (3:292) [narrated through weak chain]

★ al-Bayhaqi in Hayat al-Anbiya' ( Shaykh `Abd Allah Siraj al-Dinp. 15) cites corroborating chains and narrations which strengthen the hadith.

★ al-Bayhaqi with two chains - in Shu`ab al-Iman (2:218 #1583),

★ Bayhaqi : al-`Uqayli in al-Du`afa' (4:137)

★ Kanz al-‘Ummal : Hadith 2165,

★ Kanz al-‘Ummal : Hadith 2197,

★ Kanz al-‘Ummal : Hadith 2198

★ Kanz al-‘Ummal : Hadith 41512

★ al-Nabahani, Shawahid al-Haqq (p. 283-285).

★ ibn Hajar al-‘Asqalani grades the chain as “jayyid” (sanad good) : Fath al-Bari (1989 ed. 6:379=1959 ed. 6:488)

★ Imam Asqalani's student al-Sakhawi [Salafi] in al-Qawl al-Badi‘, p.227

★ মোল্লা আলী ক্বারী (রহ) তাঁর কিতাব الدرة ِالمضٔية في ِالزيارة المصطفوية তে লিখেন।

★ al-Suyuti in al-La’ali’, also considers [the chain as “jayyid]' (1996 ed. 1:259=1:282-283)

★ Ibn Kathir in his Tafsir (6:466),

★ al-Alusi’s Ayat al-Bayyinat, p.80

★ Al-Ahdab in his Zawa'id Tarikh Baghdad (3:69)

★ Ibn `Arraq in Tanzih al-Shari`a (1:335) confirms Ibn Hajar's verdict and al-Suyuti in al-La'ali' authenticates Abu al-Shaykh's chain - among other narrations, citing it in his commentary on al-Nasa'i's Sunan (4:110)

★ Shaykh Mahmud Mamduh in Raf` al-Minara (p. 351)

★ Al-Munawi questions this grading in Fayd al-Qadir

★ Ibn `Abd al-Hadi in al-Sarim al-Munki (p. 206) claims without proof that Abu al-Shaykh's chain.

★ ibn Taymiyyah : Majmu‘at al-Fatawa, 27/241-242

★ Ibn Taymiyyah also classified it as Sahih in Jila'ul Ifhaam;

★ Az ibn Qayyim As Salaatu was Salaam

★ Shaykh Ahmad al-Ghumari confirms ibn Hajar’s grading in al-Mudawi li ‘Ilal al-Munawi, 6/277

★ আল্লামা সাখাবী (রহ) وسنده جيِّد -এর সনদ মজবুত লিখেছেন। (আল কওলুল বদী-১১৬)

★ al-Uqayli,

★ Ibn Asakir.





                রাসুলুল্লাহ (সা) হযরত ইসা (আ) এর সম্বোধনের জবাব দিবেন :-





($) Proof () :-

وعن أبي هريرة قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلّم يقول: والّذي نَفْسُ أَبي القاسِمِ بِيَدِهِ لَيَنْزِلَنَّ عيسى ابنُ مَريمَ إمَاماً مُقْسِطاً، وَحَكَماً عَدْلاً، فَلَيَكْسِرَنَّالصَّلِيْبَ، وَيَقْتُلَنَّ الخِنْزِيرَ، وَلَيُصْلِحَنَّذَاتَ البَيْنِ، وَلَيُذْهِبَنَّالشَّحْنَاءَ، وَلَيَعْرُضَنَّالمَالَ فَلا يَقْبَلهُ أَحَدٌ، ثُمَّ لَئِنْ قَامَ على قَبْرِي فَقَالَ: يَا مُحَمَّدُ لأجِيْبَنَّهُ . قلت: هو في الصحيح باختصار. رواه أبو يعلى ورجاله رجال الصحيح

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে , আমি রাসুলুল্লাহ (صلى الله عليه و آله وسلم) কে বলতে শুনেছি : ঐ এক আল্লাহর শপথ যার হাতে আবুল কাসেম এর আত্তা ", ঈসা ইবনে মরিয়ম (অবশ্যই) ন্যায় ও জ্ঞানী শাসনকর্তা হিসেবে অবতরন করবেন`। তিনি ত্রুশ কে ধ্বংস করবেন, শুকর হত্যা করবেন. মতভেদ, বিবাদ, ঈর্ষা দূর করবেন এবং তাঁকে টাকা প্রস্তাব করা হবে কিন্তু তিনি তা ফিরিয়ে দিবেন অতঃপর তিনি আমার রৌজার পাশে দাঁড়াবেন এবং বলবেন ইয়া মুহাম্মদ (صلى الله عليه و آله وسلم) ! এবং আমি তাকে উত্তর দিব ।

Reference :


★ Musnade Abu Ya`la [with a sound chain]
Publication : (Dar al-Ma'mun ed. 1407/1987)
Page : 11
Hadith : 462

★ Ibn Hajar Asqalani cites it in al-matalib al-`aliya (Kuwait, 1393/1973) 4:23, chapter entitled: "The Prophet's life in his grave" and #4574;

★ Imam Hakim : al-Mustadrak Ala as-Saheehayn:
Volume : 2
page : 651
Hadith : 4162

★ Haythami says in Majma` al-zawa'id (8:5), chapter entitled: "`Isa ibn Maryam's Descent": "Its sub-narrators are the men of sound (sahih) hadith."

★ Ibn Hajar al-Haytami : Fatawa al-Hadithiyya (1/129) without weakening it.

★ Imam al-Suyuti, in his al-Hawi lil-Fatawi (2/140)

★ Imam suyuti Khasais al-Kubra (2/490) without any form of weakening.

★ Imam Ali ibn Burhanud-Din al-Halabi also mentioned it in his al-Siratul Halabiyya (2/432) without weakening it.

★ Shaykh Muhammad Anwar Shah al-Kashmiri : al-Tasrih bima Tawatur fi Nuzul al-Masih (p. 244)

★ al-Alusi (of Baghdad) in his Ruh al-Maani (7: 60).

★ Shaykh Abdullah al-Ghumari in his Iqamatul Burhan (p. 34)

★ Ohabi Shaykh Abdal Fattah Abu Ghudda, mentioned in the editing of the Tasrih (p. 245) (Ghumari's student)

★ Salafi known as Abu Muhammad al-Maqdisi : al-Tuhfatul Maqdisiyya (p. 52) : he declared the sanad to be Jayyid (good)





                 রওজা মোবারক থেকে আজান শোনা যেত :-





($) Proof :

ইমাম দারিমি (রহ) লিখেন,

"যখন ইয়াজিদ বিন মুয়াবিয়া (লানতুল্লাহ) মাদিনায় আক্রমন করেছিল,
মাসজিদ -এ-নববীতে ৩ দিনের জন্য কোনো আযান ও জামাত ছিল না।

সা’ঈদ ইবনে মুসায়াব বলেন,'‘আমি মাসজিদ এ-নববী صلى الله عليه و آله وسلم তে ৩ দিন ছিলাম এবং (চিন্তায়) মজনুন(পাগল) হয়ে গিয়েছিলাম এবং প্রত্যেক সালাতের জন্য রাসুলুল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم এর পবিত্র রৌজা মুবারক থেকে আযান শোনতে পেতাম।"

Reference :

★ Sunnan al Darimi,
Volume No.1,
Page No. 44,
Hadith # 94,
chapter: Fada’il-e-Nabi (صلى الله عليه و آله وسلم)
Published by Dar ul Kutb al-iLmiyyah, Beirut, Lebanon]





                নবীগনের ও সাহাবীগনের দেহ মোবারক
                   ভাদের ওফাতের পরও অক্ষভ থাকে :-




Hadith ($)

'ঊরউয়া رضئ اللہ تعالی عنہ থেকে বর্ণিত ,

" যখন আল-ওয়ালিদ বিন আব্দুল মালেক এর খিলাফত কালে ওয়াল টি কবরের ওপর ধ্বসে পরেছিল , লোক জন এটা মেরামত করতে শুরু করল ,এবং একটা পা তাদেরমধ্যে দৃষ্টি-গোচর হল। লোক জন ভীত হলো এবং ভাবতে লাগল যে তা রাসূল صلى الله عليه و آله وسلم
এর পা মোবারক । কাউকেই পাওয়া গেল না যে এটা সম্পর্কে বলতে পারে যতক্ষন পর্যন্ত না আমি 'ঊরউয়া তাদের বললাম ,
"আল্লাহ্‌ سبحانہ و تعا لی এর নামে শপথ করে বলছি যে ইহা রাসুল
صلى الله عليه و آله وسلم এর পা মোবারক নয় বরং ইহা ঊমর (রা) এর পা।"

Reference :

From:Bukhari
Book #23,
Hadith#474





Hadith :

হযরত জাবির (রা) থেকে বর্ণিত ,
"যখন ওহুদের যুদ্ধের সময় হল, রাতে আমার আব্বা আমাকে
ডাকলেন এবং বললেন, "আমি মনে করি রাসূল صلى الله عليه و آله وسلم এর সাহাবী গণের মধ্যে আমিই প্রথম শহীদ হব।
আল্লাহর রাসূল صلى الله عليه و آله وسلم এর পবিত্র আত্মার পর আমার কাছে তোমার চাইতে অধিক প্রিয় আমার পরে আর কাউকে রেখে যাচ্ছি না ! আমার কিছু ঋণ ছিল তুমি এগুলো পরিশোধ করো।এবং তোমার বোনের সাথে (সুন্দর ভাবে ) সহায়ক পূর্ণ আচরণ করো।
সকালে তিনিই প্রথম শহীদ হয়েছিলেন এবং তাকে অন্যান্য শহীদ গণের সাথে সমাধিস্থ করা হল। আমি ওনাকে অন্যান্য (শহীদ গণের) সাথে ছেড়ে দিয়ে (আমাদের থেকে দুরে রাখতে) চাইলাম না। তাই সমাধিস্থ করার ৬ মাস পর আমি ওনাকে কবর থেকে উঠিয়ে আনলাম।
তিনি ছিলেন একই রকম যেমনটি তিনি সমাধিস্থ করার দিন ছিলেন শুধু মাএ কানের দিকটাতে সামান্য পরির্বতন ছিল ।"

Reference:

From: Sahih Bukhari
Book #23,
Hadith #434




                  রওজা মোবারক জিয়ারত স্বয়ং রাসুলুল্লাহ (সা)  
                            এর জীবদ্দশায় সাক্ষাত এর মত :-





($) Hadith () :- অপর হাদিসে আছে :

عَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي اﷲ عنهما قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اﷲِ صلي الله عليه وآله وسلم : مَنْ زَارَ قَبْرِي بَعْدً مَوْتِي کَانَ کَمَنْ زَارَنِي فِي حَيَاتِي

আব্দুল্লাহ ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (صلى الله عليه و آله وسلم) বলেন : যে কেউ আমার ওফাতের পর আমার কবরে (রৌজায়) সাক্ষাত (জিয়ারত) করতে আসল এটা এ রকম যেন সে আমার জিবদ্দশায় (আমার সাথে) সাক্ষাত করিয়াছে ।

Reference: -

1) Tibrani Volume 012: Hadith Number 406,

2) Bayhaqi Shab ul Iman Volume 003: Hadith Number 489

3) al-Tabarani, al-Mu‘jam al-Awsat, 1/95 (#287)

4) al-Daraqutni, Sunan, 2/278 (#192)

5) Al Muttaqi Al Hindi : Kanz al-‘Ummal : Hadith 2196

6) Kanz al-‘Ummal : Hadith 12368,

7) Kanz al-‘Ummal : Hadith 12371,

8) Kanz al-‘Ummal : Hadith 12398

9) Kanz al-‘Ummal : Hadith 16413






            রাসুলুল্লাহ (সা) যদি নাই শুনতেন নাই দেখতেন নাই জীবিত হতেন
                           তাহলে কিভাবে প্রত্যেকের সারা দিলেন?  :-







() Hadith ($): -

রাসূলুল্লাহ (সা) বলেন," আমি (এমন) সকলকিছু শোনতে পাই যা তোমরা শোন না ।

Reference:-

(Sahih Bukhari; Mishkaat Shareef)






() Hadith ($):::--

আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ
صلى الله عليه و آله وسلم
বলেন," যে আমাকে স্বপ্নে দেখল সে যেন সত্যিকার অর্থেই আমাকে দেখল কারন শয়তান আমার আকৃতি ধারন করতে পারে না ।

Reference:

★ Sahih Muslim, vol. 4, p 1225, H:no 5635

★ Sahih Bukhari Book #87, Hadith#122




Hadith ($) :


অপর এক হাদিসে বর্নিত আছে :

সাহাবী আল-`ঊতবি, رضئ اللہ تعالی عنہ বলেন :
"(একদা) আমি রাসুল (সা:) এর রৌজা মুবারক এর নিকট বসা ছিলাম ।
এক আরাব বেদুইন আসল এবং বললো "ইয়া রাসুলাল্লাহ (সাল্লাল্ল­হু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) !
আমি শুনিয়াছি আল্লাহ্‌ سبحانہ و تعا لی বলেছেন,
"আর যে সকল লোক নিজেদের ক্ষতি সাধন করেছে তারা যদি আপনার নিকট আসত অতঃপর আল্লাহর নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করত এবং রাসুলুল্লাহ (সা) ও যদি তাদের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতেন তাহলে আল্লাহ্‌ কে তারা ক্ষমাশীল ও মেহেরবান রুপে পেত ।
(আন-ণিসা - ৬৪)."

তাই আমি এসেছি আমার পাপের ক্ষমা প্রার্থনা করতে আর আমার আল্লার নিকট আপনার সুপারিশ কামনা করছি ।"

তার পর সে চলে গেল আর আমি তন্দ্রা (ঘুম) ভাব অনুভব করলাম এবং দেখলাম রাসুল صلى الله عليه و آله وسلم আমাকে বলছেন :
"ও `ঊতবি ! ওই বেদুইন এর পিছনে দৌড়ে যাও এবং তাকে সুসংবাদ দাও যে আল্লাহ্‌ سبحانہ و تعا لی তাকে ক্ষমা করে দিয়েছেন ।"

Reference :


★ Bayhaqi in Shu‘ab-ul-Imaan(Volume no: 3, Page no:495-496, Hadith No#4178)

★ Ibn Qudamah in al-Mughni- (Book : Kitab Al Hajj Chapter : Wa Yustahabbu Ziyarat Qabr An NABI SAW Volume : 5 Page : 465)

★ Ibn ‘Asakir in Tahdhīb tarikh Dimashq al-kabir popularly known as Tarikh/Tahdhib Ibn ‘Asakir as quoted by Imam as-Subki in Shifa’-us-siqam fī ziyaat khayr-il-anam (pp. 46-7).

★ Tafsir al-Bahr al-Muheet by Imam Abu Hayyan al-Andalusi (3/282, Dar al Fikr edition) or Book : Tafseer bahr Al Muheet Volume : 3 Page : 269 Under : Sorat An Nisa Ayat number 64

★ Imam al-Mutaqi al-Hindi in Kanz ul Amaal (1/714 #10422) or Book : Tafseer bahr Al Muheet Volume : 3 Page : 269 Under : Sorat An Nisa Ayat number 64

★ Imam al-Nawawi in his al-Majmu' (8/202-203)

★ Ibn Hajar Haythami in al-Jawhar-ul-munazzam (p. 51).
And many others, plus none of these Imams called it shirk or Bidah.

★ Ibn Kathir, Tafsir-ul-Qur'an al-azim Volume 004, Page No. 140, Under the Verse 4:64

★ Imam Nawawi in Kitab ul Adhkaar, Page No. 179, Published by Dar ul Ma'rifah, Beirut, Leabon] From another version book- Volume : 1 Page : 233-234 Hadith number : 506

★ Imam Jalaluddin Suyuti in [Tafsir Dur al Manthur under 4:64)]

★ Tafsir al-Qurtubi, al-Jami li Ahkam al-Quran Volume 006, Page No. 439, Under the Verse, 4:64

★ Ibn Jama`a, Hidayat al-salik 3:1384.

★ Ibn `Aqil, al-Tadhkiraal-Mughni.

★ Samhudi, Khulasat al-Wafa.

★ Ibn al-Jawzi, Muthir al-gharam al-sakin ila ashraf al-amak in p. 490.






             এরুপ আরেকটি হাদিস বর্নিত হয়েছে :




★ আবু সাদিক (রাঃ) থেকে বর্ণীত, হযরত আলী ( রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) বলেন-
প্রিয়নবী হযরত মুহাম্মাদ(সাঃ) কে কবর দেয়ার তিন দিন পর আরাবী আসল, নিজেকে মুহাম্মাদ(সাঃ) এর কবরে নিক্ষেপ (হয়ত বসল বা গরাগরি) করল, মাটি তোলে নিজের কপালে স্পর্শ করল এবং বলল – ইয়া রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম), আপনি কথা বলতেন এবং আমরা শুনতাম, আপনি আল্লাহ এর কাছে হতে শিখেছেন এবং আমরা শিখেছি আপনার থেকে। আল্লাহ আপনাকে পাঠিয়েছেন (সূরা আন-নিসা,৪:৬৪)।
আমি একজন পাপী এবং এখন আমি আপনার কাছে এসেছি যাতে আপনি (আমার জন্ন দয়া করে) অনুরোধ করেন । এরপর কবর থেকে একটা ডাক আসল ‘এতে কোনো সন্দেহ নেই যে তোমাকে ক্ষমা করে দেয়া হয়েছে’।

(আল-হাদিস)




Hadith : সহিহ হাদিসে বর্নিত আছে :

মালিক আল-দার رضئ اللہ تعالی عنہ
যিনি হযরত ওমর (রা ) এর কোষাদ্ধহ্ম ছিলেন বর্ণনা করেন,"ওমর রাঃ এর খিলাফতকালে যখন লোকজন অনাবৃষ্টিতে ভুগছিল ১ জন লোক রাসুল(সা:) এর রৌজা মুবারকের কাছে আসলেন এবং বললেন,"ইয়া রাসূলাল্লাহ صلى الله عليه و آله وسلم আপনার সম্প্রদায়ের জন্য বৃষ্টি প্রার্থনা করুন না হলে তারা নিশ্চতভাবেই ধ্বংস প্রাপ্ত হবে," তার পর রাসুল صلى الله عليه و آله وسلم তার স্বপ্নে দেখা দিলেন এবং বললেন ,"ঊমর رضئ اللہ تعالی عنہ এর কাছে যাও এবং তাঁকে আমার অভিবাদন জানাও, অতঃপর তাকে বলো যে তাদের পানি দেয়া হবে........(Shorten)

Reference :

1) Imam Bukhari in his book Taarikh al-Kabir - Biography of Malik al-dar. It is also is narrated by Bayhaqi.

2) narrated by Bayhaqi

3) Ibn Kathir cites it in al-Bidaya wa al-nihayaand says: isnaduhu sahih.

4) Ibn Abi Shayba : His Al-Musannaf, Part 12,page 32, Hadith 12051 : with a sound (sahih) chain.

5) Ibn Hajar who says: rawa Ibn Abi Shayba bi isnad in sahih and cites the hadith in Fath al-Bari Part 2, page 412 & 495.

6) Ibn Taymiyyah wrote this Hadith in Sirat al Mustaqim - page 373.

হাদিসটির আরো কিছু সুত্র :

The narrators of the above Hadith are:

($) Abu Mu‘awiya,
($) ImamA‘mash,
($) Abu Salih Abd al Rahman bin Sa’eed,
($) Malik bin Ayyad al-Dar. All of them are considered as authentic and famous narrators of Ahadith whose narrations were taken by Bukhari, Muslim, Abu Dawood, and others





                  আরো অন্যান্য কিছু হাদিস :



★ ($) Hadith ():-

""হযরত ফজল ইবনে আব্বাস রাদ্বি আল্লাহু আনহু বলেন,

যখন হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামা কে কবর শরীফে রাখা হল তখন আমি শেষ বারের মত দর্শনের জন্য কাফন মুবারক খুলে তাঁর চেহরায়ে আনওয়ারের যিয়ারত করলাম|যখন আমি দেখলাম তাঁর মুবারক ওষ্ঠদ্বয় নাড়াচড়া করছিলেন,তখন আমি আমার কান কাছে নিয়ে শুনতে পেলাম-তিনি বলছিলেন,হে আল্লাহ! আমার উম্মতকে ক্ষমা করে দাও|এ কথা আমি উপস্থিত সবাইকে শুনালাম|উম্মতের প্রতি প্রিয় নবীর এ মায়া দেখে সবাই আশ্চর্যান্বিত হয়ে গেলেন ।

Reference :

★ আল-হিন্দি : কাঞ্জুল উম্মাল,
★ মাদারিজুন্ নবুওয়াত ২ খণ্ড




★ হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,আমি নবী পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে কা'বা শরীফ তাওয়াফ করছিলাম। আমি দেখলাম, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কারো সাথে মুসাফাহা করলেন, অথচ আমি কাউকে দেখলামনা। আমরা বললাম, হে আল্লাহর রাসুল, আপনি কারো সাথে মুসাফাহা করলেন, অথচ আমরা তাঁকে দেখলামনা। হুজুর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন,"উনি হচ্ছেন আমার ভাই ঈসা ইবনু মারইয়াম। আমি তাঁর তাওয়াফ শেষ হওয়ার অপেক্ষা করছিলাম, অতঃপর (তাওয়াফ শেষ হলে) আমি তাঁকে সালাম দিলাম।

Reference :

★ তাফসীরে রুহুল মা'আনী-১১/২১৮ * সুবহানাল্লাহ*


★ ওলীগন জীবিত : এক নেককার যুবক তথা আল্লাহর ওলীর সাথে হযরত ওমর ফারুক (রা) এর কথা বলাই তা প্রমান করে :

একদিন হযরত ফারুকে আ'যম রাদ্বিয়াল্লাহু তাআলা আনহু এক নেককার যুবকের কবরে তাশরীফ নিলেন এবং বলেন,হে অমুক! আল্লাহ তাআলা ওয়াদা করেছেন...
ওয়া লিমান খাফা মক্বামা রব্বিহী জান্নাতান
অর্থাৎ যে ব্যক্তি আপন প্রতিপালকের সামনে দন্ডায়মান হওয়াকে ভয় করে,তার জন্য দুটি জান্নাত রয়েছে।

[সূত্র:পারা 27 সুরা আর রহমান আয়াত 46]

হে যুবক! বলো,তোমার কবরের কী অবস্থা? তখন যুবকটি কবরের ভিতর থেকে আওয়াজ দিলেন...
ওহে আমীরুল মু'মিনীন! ক্বাদ আ'ত্বানীহিমা রব্বী আযযা ওয়া জাল্লা ফীল জান্নাতি
অর্থাৎ আমার রব তাআলা! আমাকে সেই দুটি জান্নাতই দান করেছেন।

Reference :-

[তারিখে দামেস্ক লিইবনে আসাকির 45তম খন্ড 450 পৃষ্ঠা,
তাফসীরে ইবনে কছিীর]




                  উক্ত হাদিসের সাথে সম্পর্কিত বহু সহিহ হাদিস আছে
                  এখানে কয়েকটা উল্লেখ্য করলাম :




★ ইব্রাহিম বিন মুহাম্মদ (রা) বর্ণনা করেন যে, নবী করীম (সা) বছরের প্রারম্ভে ওহুদ যুদ্ধে শহীদদের সমাধি জেয়ারতে যেতেন এবং বলতেন:

السلام عليکم بما صبرتم فنعم عقبي الدار.

আপনাদের উপর সালাম! আপনারা আপনাদের ধৈর্যের ফলস্বরূপ আখেরাতে কি চমৎকার জায়গাই না পেয়েছেন।
আবু বকর, উমর এবং ওসমান (রা) একই ভাবে জেয়ারতে যেতেন।

Reference :-

১। মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক: ৩:৫৭৩
২। আইনি, উমদাদুল কারী, ৮:৭০
৩। তাবরী, জামি আল কুরআন, ১৩:১৪২
৪। ইমাম সুউতি, দারুল ময়ানসুর, ৪:৬৪১
৫। তাফসীর ইবনে ই কাসীর।





                 কারবালার প্রান্তরে ইমাম হোসাইন (রা শহীদ হয়েছেন
                 তার সংবাদ রাসুলুল্লাহ (সা) সংগে সংগে দিয়েছিলেন :-



Hadith ($) :-


ইবনে আব্বাস রা. বলেন, আমি আশুরার দিন দুপুরে শুয়ে ছিলাম। হঠাৎ দেখি রাসূল সা. অত্যন্ত শোকাহত, তার চুলগুলো উসকো খুসকো। এমতাবস্থায় একটি রক্তভরা শিশি নিয়ে তিনি উপস্থিত। আমি জিজ্ঞেস করলাম ইয়া রাসূল্লাল্লাহ! এই রক্ত কিসের? নবীজী সা. বললেন, এইমাত্র হুসাইন এবং তার সাথীদের রক্ত কারবালার মাটিতে পড়েছে, আমি উঠিয়ে নিয়ে এসেছি। ইবনে আব্বাস রা. বলেন, এরপর আমার ঘুম ভেঙ্গে গেল। আমি তারিখটা স্মরণ রাখলাম। পরে জানতে পারলাম যে, নবীজী সা. যে সময় রক্তের শিশি হাতে নিয়ে আমার সামনে এসেছিলেন, ঠিক সেই সময় হযরত হুসাইন রা. কারবালায় শাহাদত বরণ করেছেন।

★ মুসনাদ আহমাদ বিন হাম্বাল, হাদিস নং ২১৬৫। হাদিটির সনদ সাহীহ

★ মিশকাত শরীফ

★ উম্মে সালামা (রা) থেকেও অনুরূপ একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে।

Note : ২৪ দিন পরে মদীনাতে কারবালার নৃশংস ঘটনার খবর এসে পৌঁছলে তাঁদের দুজনের স্বপ্ন সত্য বলে প্রমাণিত হয়। যেহেতু শয়তান রাসুলে পাকের আকৃতি ধারন করতে পারেনা আর স্বপ্নে কেউ রাসুল , (ﷺসা) কে দেখলে সে সত্যিই তাঁকে দেখল। রাসুল , (সাﷺ) আশুরার দিন স্বশরীরে কারবালার ময়দানে উপস্থিত ছিলেন। তিনি হাজের ও নাজের। তিনি হায়াতুন্নবী।





           এই বিষয়ে জগত বিখ্যাত হাদিস গবেষক ও
                            ইমামগনের আকিদা :-




এই ব্যাপারেও ৫০+ evidance দিতে পারব কিন্তু অনেক বড় হয়ে যাবে আর
এত type করাও কষ্টকর ব্যাপার তাই মাত্র কয়েকজনের মতামত উল্লেখ্য করলাম :




Proves :-

★ ওফাতের পর নবীগণের সালাত বিভিন্ন সময়ে ও বিভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত হয়। কোরআন-হাদীসে এর বিবরণ বিদ্যমান। এর দ্বারাই নবীদের মরণোত্তর জীবন প্রমাণিত হয়। (ফাতহুল বারী-১/১৩০)

★ হযরত সাঈদ ইবনুল মুসায়্যব হাররার ঘটনার দিনগুলোতে কবর হতে আযান শুনেছেন। (ইকতিয়াউস সিরাতিল মুস্তাকিম-৩৭৩)।

★ হযরত আবু হুরাইরা (রা.) কর্তৃক বর্ণিত আবু দাউদ শরীফের হাদীস। রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘যে কোন মুসলিম আমাকে সালাম করলে আল্লাহ আমাতে রুহ ফিরিয়ে দেন, আমি তার সালামের উত্তর দেই।’ এটি একটি উত্তম হাদীস। (ফাতাওয়ায়ে ইবনে তাইমিয়্যাহ-৪/৩৬১)।

★ আবদুল্লাহ বিন মাসউদ বলেন, রাসূল (সা.) ইরশাদ করেছেন- ‘আল্লাহ তা’য়ালা পৃথিবী পরিভ্রমণকারী একদল ফেরেস্তা নিযুক্ত করেছেন, তারা আমার নিকট উম্মাতের সালাম পৌঁছে দিয়ে থাকেন।’ (সুনানু নাসায়ী-১/১৮৯)।

★ "নবীগণ কবরে জীবিত ও নামাযেরত’ এ হাদীস সম্পূর্ণ সহীহ। (মিরকাত-২/২৬১)।

★ হাদীসে প্রমাণিত যে, নবীগণ কবরে জীবিত আছেন। ইমাম বায়হাকী ও মুনযিরী হাদীসটিকে সহীহ বলেছেন। (নাইলুল আউতার-৩/২৬১)।

★ ‘নিঃসন্দেহে নবী (সা.) ওফাতের পর কবরে জীবিত আছেন। অনুরূপভাবে অন্যান্য নবী-রাসূলগণও শহীদদের চেয়েও পূর্ণ হায়াতে জীবিত। যাদের সম্পর্কে আল্লাহ তা’য়ালা তাঁর পবিত্র কিতাবে সংবাদ দিয়েছেন।’ (ওয়াফাউল ওয়াফা-২/৪০৫)।

★ নবীদের কবরদেশে জীবিত থাকার প্রমাণাদী দাবি করে যে, তারা দুনিয়ার পার্থিব জীবনের মতোই দৈহিকভাবেই জীবিত। তবে তারা পানাহারের মুখাপেক্ষী নন। (প্রাগুক্ত-২/৪০৮)।

★ ‘আমি বলব, নবীদের হায়াতের ব্যাপারে কোন প্রশ্ন নেই। কেননা নবীগণ শহীদগণ হতে শ্রেষ্ঠ। আর শহীদগণ তো তাদের রবের নিকট যিন্দা। সুতরাং নবীগণ তো প্রশ্নাতীতভাবেই যিন্দা থাকবেন।’ (উমদাতুল কারী-১১/৪০২)।

★ ‘শহীদগণ যেহেতু দলিলের ভিত্তিতে জীবিত প্রমাণিত, কোরআনে তার সুষ্পষ্ট বর্ণনা আছে, সুতরাং নবীগণ জীবিত থাকবেন। কারণ তারা শহীদগণ হতে উত্তম।’ (ফাতহুল বারী-৬/২৮৮)।



($) Proof ():-

মুহাদ্দিস শেখ আব্দুল হক দেহলভি(রহঃ) বলেন,একথা সকলেই বিশ্বাস করে যে আম্বিয়া আলাইহিমুস সালাম গন (কবরে) জিবীত ।এতে কারো কোনো অমত নেই,(কবরে) তাদের জীবন বাস্তবিক এবং শারীরিক জীবন এর মত যেমনটি পৃথিবিতে ছিল ।তারা (কবরে)শহীদগণের মত নয় (শারীরিক দিক দিয়েও জীবিত)।

Reference:-

[Ash’at al-Lam’at – Vol. 1 Pg. 574]

($) Proof:-

ইবনে হাজর আসকালানী (রহঃ) বলেন,

واحسن من هذا الجواب ان يقال ان حياته صلى الله عليه وسلم في القبر لايعقبها موت بل يستمر حيا والأنبياء احياء في قبورهم

রৌজা মোবারকে মহান রাসুলুল্লাহ (صلى الله عليه و آله وسلم) এর ওফাত কনোদিন ও আসবে না ।তিনি জীবিত থাকবেন একারণেই যে নবীগন কবরে জীবিত থাকেন ।

Reference:-

[Sorhe Bukhari Fath al-Bari, Volume 17: Page No. 22]

($) Proof ():-

وإذا ثبت أنهم أحياء من حيث النقل فإنه يقويه من حيث النظر كون الشهداء أحياء بنص القرآن، والأنبياء أفضل من الشهداء

আল কোরআন থেকে স্পষ্ট বুঝা যায় যে, শহীদগণ কবরে জীবিত সেখানে নবীগণের মর্যাদা শহীদদের তুলনায় অনেক উর্দ্ধে।

Reference::-

1) Nayl al-Awtar 3/82)
2) Fath al-Bari>sarhe bukhari,Fath al-Bari, (6/379)]

($) Proof:-

ইমাম আল সুবকি (রহঃ) বলেন "এটা আমাদের আকিদা যে রাসুলুল্লাহ (صلى الله عليه و آله وسلم) রৌজা পাক এ জীবিত ।".

Reference:-

[Tabqat al-Shafi’iyya al-Kubra, Volume 006: Page No. 266]

($) Proof:-

বিশিষ্ট হানাফি ইবনে আবেদিন বলেন: "আম্বিয়া (আ:) গণ কবরে জীবিত আছেন,এটা হাদিস দারা প্রমাণিত।

Reference :-

[Rasa’il of Ibn Abidin, Volume 002: Page No. 203]

($) Proof:-

ইমাম সাওকানি (যে সালাফি/ওহাবী ) বর্ণণা করেন : "রাসুলুল্লাহ (صلى الله عليه و آله وسلم) রৌজা পাক এ জীবিত আছেন,এটা সহিহ হাদিস দারা প্রতিষ্ঠিত ।.

Reference:-[Nayl al-Awtar, Volume 005: Page No. 101]

($) Proof () :-

ইমাম আল খাফাজি(রহঃ) (যিনি সরহে আস শিফা এর বেক্ষাকার) তিনি বলেন, নবীগণ তাদের কবরে বাস্তবিক ভাবে জীবিত যেমনটি তারা এই পৃথিবীতে ছিলেন।

Reference::-

[Naseem ur Rayaadh:Vol. 1 Pg. 196]

() Proof ($):::--

ইমাম মানাভী (রহঃ) মুসা (আঃ) এর কবরে নামায পড়ার বিষয়ে বলেন,মুসা (আঃ) ওনার কবরে জীবিত এবং নামায আদায় করছেন যেমন জীবিতরা নামায পড়েন এবং এটা সম্ভব ।

Reference::--

[Faydh ul Qadeer (5/663)]

() Proof ($):::--

বিশিষ্ট ইমাম সহীহ মুসলিম এর commentator ইমাম কুরতুবী (রহঃ) লিখেন :

""নবীগণের নিকট ইবাদত বড় প্রিয়। তাই তারা নিজের আত্মিক আহবানেই ইবাদতে মশগুল থাকেন। তাদের উপর অর্পিত দায়িত্ব হিসাবে ফরজ/ওয়াজিব মনে করে ইবাদত করেন না।""

""হাদিস দ্বারা নিশ্চিতভাবে প্রতিষ্ঠিত নবীগণদের যে মৃত্যু দেয়া হয়েছে তার মানে হচ্ছে তাঁরা আমাদের চোখের দৃষ্টির আড়ালে কিন্তু বাস্তবিকভাবে তাঁরা জীবিত এবং উপস্হিত এবং তাদের অবস্হা এ রকম যেমন ফেরেশতারা জীবিত এবং উপস্হিত এবং মানুষের মদ্ধে কেহ তাদের দেখতে সমর্থ নয় কিন্তু আল্লাহর ওলীগণ (ছাড়া) ওনারা ওনাদের কেরামত দ্বারা তাদের অনুভব করতে পারেন ।""

Reference::--

[al-Mafhim lima Ashkala min Talkhis Kitab Sahih Muslim Volume 006, Page No. 233-4].

আমাদের ও আমাদের মাশাইখগণের মতে, হযরত রাসূল (সা.) কবরে জীবিত। তাঁর কবরের হায়াতও পার্থিব হায়াতের মতোই; কিন্তু পার্থিব জীবনের মতো মুকাল্লাফ নন। অর্থাৎ শরীয়তের আদেশ-নিষেধ তার উপর কবরে প্রয়োগ হবে না। এ ধরনের হায়াত কেবলমাত্র রাসূল (সা.) ও নবীগণের জন্য নির্ধারিত।

★ (আল মুহান্নাদ আলাল মুফান্নাদ-৩৭-৩৮)।

মুসা (আ.)-এর কবরে নামায আদায়, মি’রাজ রজনীতে বাইতুল মুকাদ্দাসে রাসূল (সা.)-এর ইমামতিতে নবীগণের সালাত আদায়, জান্নাতবাসীদের তাসবীহ পাঠ ইত্যাদি দ্বারা তাঁরা পরিতৃপ্তি লাভ করেন। আনন্দের সাথে সময় অতিবাহিত করেন। এগুলোর কোনটিই তাকলীফ বা বাধ্যতামূলক করণীয় কাজের অন্তর্ভুক্ত নয় যা দ্বারা আল্লাহ বান্দাদের পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকেন।

★  (ফাতাওয়ায়ে ইবনে তাইমিয়্যাহ-১/৩৫৪)।





ভাল লাগলে সবার কাছে শেয়ার করুন।


যে ছবিটি দেখতে পাচ্ছেন ইনি কোন সাধারন মানুষ নন। তিনি রাসুলুল্লাহ (সা) এর সম্মানিত সাহাবী ছিলেন।
শয়তান ওহাবীর দল ওনার মাযার ভেংগে দেয়ার পর হাজার হাজার বছর ধরে শায়িত থাকা সেই সাহাবীর লাশ মোবারকের দেখা মিলা।